মসুলের যুদ্ধবিধ্বস্ত ঐতিহাসিক আল-নূরী মসজিদের পুনর্নির্মাণ

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯ | ১২ চৈত্র ১৪২৫

মসুলের যুদ্ধবিধ্বস্ত ঐতিহাসিক আল-নূরী মসজিদের পুনর্নির্মাণ

পরিবর্তন ডেস্ক ২:০৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২০, ২০১৮

মসুলের যুদ্ধবিধ্বস্ত ঐতিহাসিক আল-নূরী মসজিদের পুনর্নির্মাণ

২০১৭ সালে উত্তর ইরাকের মসুল শহরে আইএস বিরোধী যুদ্ধে ধ্বংসপ্রাপ্ত ঐতিহাসিক আল-নূরী মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে। গত ১৭ ডিসেম্বর হতে এ কাজ শুরু করা হয়। এই মসজিদ থেকেই ২০১৪ সালে আইএস নেতা আবু বকর আল-বাগদাদী তার কথিত খেলাফতের কথা ঘোষণা করেছিলেন।

আল-নুরী মসজিদে ভাষণ দিচ্ছেন আইএস নেতা আবু বকর আল বাগদাদীইরাকের সুন্নী মুসলিম কর্তৃপক্ষের প্রধান আবদুল লতিফ আল-হুমায়িম মসজিদটির পুনর্নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। 

ঐতিহাসিক এই মসজিদটি ১১৭২ সালে মুসলিম সুলতান নূরউদ্দীন জঙ্গী কর্তৃক নির্মিত হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে মসজিদটির সংস্কার হলেও মসজিদটির মিনার সুলতান জঙ্গীর নির্মিত আদি কাঠামোতেই রেখে দেওয়া হয়।
ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ার আগে আল-নুরী মসজিদ

ইউনেস্কো প্রতিনিধি লুইজ হ্যাক্সথাউসেন মসজিদটির ধ্বংসকে ভীতিকর এবং হারানোর মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেন। 

মসজিদটির পুনর্নির্মাণ সম্পর্কে মত প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আজ, আল-নূরী মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে আমরা মসজিদটির অবকাঠামোগত পুনঃনির্মাণের যাত্রার সূচনা করলাম।” 

সংযুক্ত আরব আমীরাতের অর্থায়নে মসজিদটি পুনঃনির্মাণের এই প্রকল্পটি সম্পন্ন হওয়ার জন্য পাঁচ বছরের  লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। প্রথম বছর ধ্বংসস্তুপ পরিষ্কার ও স্থানটি নিরীক্ষণের জন্য কাজ করা হবে। পরবর্তী চার বছরে মসজিদটির সম্পূর্ণ স্থাপনা পুরাতন নকশা অনুযায়ী তৈরি করা হবে। সম্পূর্ণ প্রকল্পটির জন্য মোট ৫০.৪  মিলিয়ন ডলার খরচের বাজেট করা হয়েছে। 

নিনেভা প্রদেশের সুন্নী মুসলিম কর্তৃপক্ষের প্রধান আবু বকর কিনান জানান, মসজিদের মিনারটির অবশিষ্ট অংশ সংরক্ষণ করা হবে এবং মসজিদের এক পার্শ্বে মসজিদটির ইতিহাস উপস্থাপনা করে একটি যাদুঘর তৈরি করা হবে।

সুত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

এমএফ/

আরও পড়ুন...
উঁচু ভবনের আড়ালে মক্কা : মুসলমানদের উদ্বেগ