গণতন্ত্রের কেন হুমকি হচ্ছে ফেসবুক?

ঢাকা, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯ | ১০ চৈত্র ১৪২৫

গণতন্ত্রের কেন হুমকি হচ্ছে ফেসবুক?

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:১১ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৭, ২০১৮

গণতন্ত্রের কেন হুমকি হচ্ছে ফেসবুক?

আরও কঠোর নীতিমালার আওতায় নিয়ে আসা না হলে ফেসবুক গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক এক প্রধান কর্মকর্তা।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জিসিএইচকিউ’র সাবেক প্রধান কর্মকর্তা রবার্ট হ্যানিগান বলেন, ফেসবুক ইউজারদের ব্যক্তিগত তথ্য থেকে লাভবান হওয়ার ব্যাপারেই সামাজিক মাধ্যমটি বেশি আগ্রহী, তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় নয়।

আগে, এই সপ্তাহেই ব্রিটিশ এমপিরা অভিযোগ করেন ফেসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্যের বিষয়ে গোপন চুক্তি করেছে।

ভুয়া খবর ছড়ানো বন্ধের বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়ার জন্যও সম্প্রতি সমালোচিত হয় সোশ্যাল মিডিয়াটি।

ফেসবুক সম্পর্কে হ্যানিগান বলেন, ‘এটা ফ্রি সার্ভিস দেয়ার কোনো দাতব্য সংস্থা নয়। এটা খুব কঠোর মনোভাবের একটা আন্তর্জাতিক ব্যবসা। এই বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোই বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞাপন প্রচারক। এটা করেই তারা হাজার হাজার কোটি টাকা আয় করে।’

‘আপনি যে সার্ভিসটাকে কাজের জিনিস বলে মনে করছেন, সেটার বদলে তারা আপনার তথ্য সংগ্রহ করে এবং এটা থেকে শেষ মুনাফার শেষ ফোঁটাটা পর্যন্ত নিংড়ে নেয়,’ যোগ করেন তিনি।

ফেসবুক গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হতে পারে নাকি এমন প্রশ্নের জবাবে হ্যানিগান বলেন, ‘সম্ভাবনা আছে, যদি না এটা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এসব বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো একচেটিয়া ব্যবসা করে। তারা নিজের উদ্যোগে শোধরাবে না। এটা বাইরের কাউকে করতে হবে।’

ফেসবুকের প্রধান কর্মকর্তা ও তার সহকারীদের ইমেইল থেকে জানা যায়, তারা বিশেষ কয়েকটি ডেভেলপারকে ব্যবহারকারীদের তথ্য দিতে এবং অন্যদের সেগুলো না দিতে গোপনে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।

ব্রিটেনের ডিজিটাল, কালচার, মিডিয়া ও স্পোর্টস কমিটি তাদের তদন্তে ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন নথিপত্র ঘেঁটে এসব তথ্য পায়।

কমিটি আরও জানায়, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সুরক্ষা সম্পর্কে ব্যবহারকারীদের সচেতন থাকাটা ফেসবুক ইচ্ছা করেই যথাসম্ভব কঠিন করে তুলেছে।

ফেসবুক, বলছে এসব নথিপত্র ভুল উত্থাপন করেছে কমিটি।

এমআর/আইএম