১০০ পেরুলো পেঁয়াজের দাম

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

১০০ পেরুলো পেঁয়াজের দাম

পরিবর্তন প্রতিবেদক: ২:০১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৯

১০০ পেরুলো পেঁয়াজের দাম

পেঁয়াজ রফতানি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়া রাতারাতি খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। এতে করে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে। সোমবার রাজধানীর মেরাদিয়া, রামপুরা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সোমবার খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম  ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, আরেক দফায় দাম বেড়ে পাইকারি বাজারে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ।

জানা যায়, রোববার পেঁয়াজ রফতানি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। এ সংবাদে দেশের বাজারে হু হু করে বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। খুচরা বাজারে দেশি আর ভারতীয় পেঁয়াজের দামের কোনো ভেদাভেদ নেই। সব পেঁয়াজই এখন কেজিপ্রতি ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে রাতারাতি এত দাম বেড়েছে কেন—জানতে চাইলে মেয়ারদিয়া বাজারের মুদি পণ্য বিক্রেতা বাবুল মিয়া জানান, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় আমাদেরও ক্রেতাদের থেকে বাড়তি দাম নিতে হয়। ভারতের রফতানি বন্ধের খবরে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

তিনি বলেন, গতকাল দুপুরের পরও প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন ৭২ টাকায়। সন্ধ্যায় তিনি ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি করেছেন। আজ সকাল থেকে তিনি ১০৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, কাল দুপুরের পর থেকেই কেনা দাম বেশি পড়ছে। ফলে বিক্রি করতে হচ্ছে বেশি দামে।

রামপুরা বাজারে কাঁচা বাজার করতে এসেছে সাজ্জাদ হোসেন নামের এক ক্রেতা। তিনি বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে পেঁয়াজের বাজারে আগুন। আর বাজারে দাম বাড়ার প্রতিযোগিতায়ও এখন শীর্ষে রয়েছে পণ্যটি।

তিনি বলেন, গতকাল রফতানি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ভারত। কিন্তু এ ২৪ ঘন্টায় নতুন কোন পেঁয়াজ বেনাপোল বা দেশের যে কোন স্থল বন্ধর দিয়ে ঢাকার পাইকারী বাজার হয়ে খুচরা বাজারে আসার কথা না। কিন্তু সিন্ডিকেটের সক্রিয়তায় দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা।

ট্যারিফ কমিশনের হিসাবে দেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা ২৪ লাখ মেট্রিক টন। চাহিদার বিপরীতে দেশের উৎপাদন হয় ১২-১৩ লাখ মেট্রিক টন। বাকি ১০-১১ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়, যার অধিকাংশই আসে ভারত থেকে।

ভারত হলো গোটা বিশ্বের সবচেয়ে বড় পেঁয়াজ রফতানিকারক দেশ। কিন্তু সম্প্রতি ভারতের বেশ কিছু শহরে সবজির মূল্য প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। উৎপাদন কম এবং বছরের শেষে দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচন হবে। তাই ভোগ্যপণ্য বিষয়ে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে বলে জানায় রয়টার্স।

জেডএস/

 

আমদানি-রপ্তানি: আরও পড়ুন

আরও