তৈরি পোশাকের মূল্য বৃদ্ধি করুন: বাণিজ্যমন্ত্রী

ঢাকা, শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮ | ২ ভাদ্র ১৪২৫

তৈরি পোশাকের মূল্য বৃদ্ধি করুন: বাণিজ্যমন্ত্রী

সচিবালয় প্রতিবেদক ৫:২৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৭, ২০১৮

print
তৈরি পোশাকের মূল্য বৃদ্ধি করুন: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাতকে নিরাপদ ও কর্মবান্ধব করে গড়ে তুলেছে। শ্রম আইন সংশোধন করে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো আধুনিক করা হয়েছে। বিশ্বমানের কারখানায় বাংলাদেশে পোশাক তৈরি হচ্ছে। কিন্তু তৈরি পোশাক ক্রেতারা মূল্যবৃদ্ধি করছে না। তৈরি পোশাকের মূল্যবৃদ্ধি করতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার ও কারখানার মালিকরা সম্মিলিতভাবে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে অপ্রত্যাশিত রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশে আর কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। ইতোমধ্যে দেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলো প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হয়েছে, অত্যাধুনিক গ্রিন ফ্যাক্টরি নির্মাণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কারখানাগুলো তদারকি করার জন্য অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের এখন আর কোনো প্রয়োজন নেই। তাদেরকে ৫ বছরের জন্য দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছিল। গত ৭ মে তাদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। কার্যক্রম গুটিয়ে নেয়ার জন্য ৬ মাস মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। আর কোনো সময় বৃদ্ধি করা হবে না। এখন রিমেডিয়েশন কো-অর্ডিনেশন সেল (আরসিসি) বা সংস্কার সমন্বয়ক সেল তৈরি করার মাধ্যমে পোশাক কারখানাগুলোর কাঠামো, অগ্নি ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দায়িত্ব পালন করবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আজ (১৭ জুলাই) ঢাকায় হোটেল পূর্বাণীতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফ রিমেডিয়েশন কো-অর্ডিনেশন সেল (আরসিসি) শেয়ারিং প্রোগ্রেস অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত সাসটেইনিবিলিটি কম্প্যাক্টের চতুর্থ পর্যালোচনা সভায় অ্যাকর্ড এবং অ্যালায়েন্সের কাজের মেয়ার বৃদ্ধি করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। আমরা জানিয়ে দিয়েছি, বাংলাদেশ নিজেই এ কাজ করতে এখন সক্ষম। আরসিসিকে দক্ষ জনবল দিয়ে সাজানো হয়েছে। তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর কাঠামো, অগ্নি ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ইঞ্জিনিয়ারকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন (আইএলও) সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করছে।

অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক এমপি, সচিব আফরোজা খানম, এফবিসিসিআইর প্রেসিডেন্ট সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএর প্রেসিডেন্ট মো. সিদ্দিকুর রহমান, ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া স্টিফেন্স ব্লোম বার্নিকাট, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও নরওয়ের রাষ্ট্রদূত, অ্যাকোর্ড, অ্যালায়েন্স, বিকেএমইএ এবং শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। 

এসএস/এএল/ 

 
.


আলোচিত সংবাদ