দুই নির্মাতাকে নিয়ে কানে সামিয়া জামান

ঢাকা, রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮ | ৩ ভাদ্র ১৪২৫

দুই নির্মাতাকে নিয়ে কানে সামিয়া জামান

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১২:১০ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০১৮

print
দুই নির্মাতাকে নিয়ে কানে সামিয়া জামান

বাংলাদেশের উদীয়মান নির্মাতাদের বিশ্বচলচ্চিত্রের আসরে দ্বিতীয়বারের মতো পরিচয় ও জানা-শোনার সুযোগ করে দিলো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ তথা আইএফআইবি। কর্মশালা, বৈঠক ও কান চলচ্চিত্র উৎসব ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা অর্জন করলেন দুই নির্মাতা সুমন দেলোয়ার ও রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত।

এ উৎসবে অংশ নিতে বর্তমানে ফ্রান্সের কানে অবস্থান করছেন ‘ঢাকা টু কান’ প্রকল্পের উদ্যোক্তা আইএফআইবি প্রেসিডেন্ট সামিয়া জামান।   

ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জিং ফিল্ম ট্যালেন্ট অ্যাসোসিয়েশন তথা আইইএফটিএ’র সহায়তায় আইএফআইবি প্রতিবছর ‘ঢাকা টু কান’ প্রকল্পের আওতায় দুজন নির্মাতাকে এমন সুযোগ করে দিচ্ছে। তিন দিনের এই কার্যক্রমে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র পরিচালক, চলচ্চিত্র নির্বাহী ও চলচ্চিত্র শিল্পের প্রভাববিস্তারকারী ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ পেলেন তারা।

এ প্রসঙ্গে সামিয়া জামান বলেন, ‘চলচ্চিত্র নিয়ে নতুন যাত্রার এ সময়ে কানের মতো চলচ্চিত্র উৎসবে এসে যে ধরনের যোগাযোগ স্থাপিত হয়, তাতে নতুনদের স্বপ্ন দেখার পরিধি বেড়ে যায়। সেটা ভবিষ্যতের পথ চলার কাজে লাগবে। ব্যক্তির চলচ্চিত্র নির্মাণের জায়গা থেকেই নয়, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

বাংলাদেশি দুই নির্মাতা ৮ মে কানের উদ্দেশে রওনা করে ১৪ মে দেশে ফিরে এসেছেন। এসেই জানালেন অভিজ্ঞতা ও অর্জনের গল্প।

তারা জানান, গ্লোবাল ফিল্ম এক্সপ্রেশন প্রকল্পের আওতায় আইইএফটি বিশ্বের ৫টি দেশের ১০জন নির্মাতাকে নিয়ে কান চলচ্চিত্র উৎসবের ফিল্ম মার্কেট মার্শে দ্যু ফিল্মে প্রডিউসারর্স ওয়ার্কশপের আয়োজন করে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রযোজক, পরিবেশকদের সঙ্গে নিজেদের নির্মিতব্য ও নির্মানাধীন চলচ্চিত্রগুলোও উপস্থাপন করেছেন তারা।

রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত বলেন, “কানে যেসব চলচ্চিত্র সফল হয়েছে সব চলচ্চিত্রের শুরুটাই নানা ফিল্ম মার্কেট থেকে। আমাদের দেশে ফিল্ম মার্কেটের ধারণাটা এখনো অনেকেরই অজানা। এটি গড়ে উঠলে সকলেই উপকৃত হবেন। শুধু তিনদিনের ওয়ার্কশপই নয় এ সফরে আমি আমার চলচ্চিত্র ‘নোনাজলের কাব্য’ নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রযোজনা সংস্থা, পরিবেশক ও সেলস এজেন্টদের সঙ্গে মিটিং করে এসেছি। আশা করছি, সামনের দিনগুলোতে এর ফল পাবো।”

এদিকে সুমন দেলোয়ার বলেন, ‘কর্মশালায় চলচ্চিত্রের অর্থায়ন, ক্রাউড ফান্ডিং, লো বাজেট ফিল্ম মেকিং নিয়ে খুব চমৎকার কিছু সেশন ছিল। অডিয়েন্সের চাওয়া-পাওয়ার ওপর একটা জরিপ নির্ভর আলোচনা শুনেছি। এছাড়াও প্রডিউসার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে সেশন হয়েছে। কয়েকজনের সাথে আমার প্রজেক্টটা নিয়ে আলাপ করেছি।’

আরো জানান, তার ‘মাই সিস্টার, মাই ফ্রেন্ড’ প্রমাণ্যচিত্রের ৫০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

এর আগে ২০১৭ সালে নির্মাতা আবেদ মল্লিক ও লুবনা শারমিন ‘ঢাকা টু কান’ প্রকল্পের আওতায় কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণের সুযোগ পান।

ডব্লিউএস

 
.


আলোচিত সংবাদ