নবজাতকের স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক বমি

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮ | ১ ভাদ্র ১৪২৫

নবজাতকের স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক বমি

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৮, ২০১৭

print
নবজাতকের স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক বমি

ছোট নবজাতক শিশুদের মধ্যে অনেক কিছুর মতো বমি করার প্রবণতাও অনেকসময় বিরাটাকারে দেখা যেতে পারে। শিশুর জীবনের প্রথম কিছু সপ্তাহে খাওয়ার সাথে সামঞ্জস্য করতে যেয়ে, হঠাৎ পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে শিশুর বমি’র এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। চলুন আজ জেনে নেই শিশুর বমি হওয়ার আদ্যোপান্ত। 

শিশুর বমি হওয়ার সমস্যা শুরু হলে তা ছয় থেকে চব্বিশ ঘণ্টা পরপর তা হতে পারে। এর জন্য আলাদা কোনো ট্রিটমেন্ট এর দরকার হয়না বরং শিশুকে পানিশূন্যতা থেকে বাঁচানোর জন্য বারবার তরল জাতীয় খাবার খাওয়ালেই চলে। এক্ষেত্রে বাড়তি কোনোকিছুর দরকার পরেনা। বরং শিশুর যাতে খাবার থেকে কোনোরকম ইনফেকশন না হয়ে যায় সেদিকে নজর দিতে হবে। 

যখন বমি দুশ্চিন্তার কারণ:

শিশুর অতিরিক্ত খাবার খাওয়া, খাবারের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে সমস্যা হলে শিশুর বমি’র সমস্যা দেখা যায়। কিন্ত এছাড়াও পেটের ইনফেকশন, ফুড এলার্জিসহ অন্যান্য বিভিন্ন কারণে শিশুর বমি হতে পারে যা মায়ের জন্য বমি’র সাথে আলাদা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া শিশুর বমি সম্পর্কে বাব-মায়ের সত্বর চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে যদি নিন্মোক্ত উপসর্গগুলো দেখা যায়

বমির সাথে রক্ত যাওয়া,

শিশুকে খাওয়ানোর আধাঘন্টার মধ্যে বারবার বমি করে পুরো খাবার বের করে দেওয়া,

পেট বসে যাওয়া কিংবা ফেঁপে থাকা,

বমির সাথে সবুজ পাতলা তরল বেরিয়ে যাওয়া।

এসব লক্ষণ দেখলে অতিদ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। 

বমি করলে বাবা-মায়ের করণীয়:

শিশুকে তরল খাবার বারবার খেতে দিতে হবে।

বমি মাধ্যমে শিশুর যতটা তরল শরীর থেকে বেরিয়ে গেছে তা যাতে সঠিকভাবে পূরণ হয়ে যায় সেদিকে নজর দিতে হবে।

এর সবচেয়ে বড় উৎস হতে পারে বুকের দুধ। কিন্তু এক্ষেত্রে শিশুকে ফলের রস দেওয়া থেকে বিরত রাখুন।

শিশুকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আগের পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে যাতে শিশু খুব তাড়াতাড়ি সহজ হয়ে যেতে পারে।

সবশেষে শিশুকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে। যাতে শিশুর উপর যতটা ধকল যায় তা দূর হতে পারে। 

তথ্য সূত্র: এইচএইচপি 

ইসি/

 
.


আলোচিত সংবাদ