শীতে এসি ব্যবহারে আছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি!

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

শীতে এসি ব্যবহারে আছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি!

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৪, ২০১৮

শীতে এসি ব্যবহারে আছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি!

গরমের সময় আমরা ঠাণ্ডা অনুভব করার জন্যই নিয়ন্ত্রণের যন্ত্র বা এসি ব্যবহার করে থাকি। শীতে তেমন একটা এসির দরকার হয় না। তবে অনেকেই আছেন যারা শীতের সময় সমানতালে এসি ব্যবহার করে থাকেন। এটা তো আমরা সবাই জানি যে, রোগবালাই না থাকলে শীত খুব উপভোগ্য ঋতু। তবে ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগ হওয়ার জন্য শীত এমনিতেই একটি ঝুঁকিপূর্ণ ঋতু। আর শীতে এসি ব্যবহার করলে এই ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়। যারা শীতের সময় বেশির ভাগ সময় এসিতে থাকেন, তাদের স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন সমস্যা হয়। এটি শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি করে। তাই শীতে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এসি বন্ধ রাখাই উচিত।

আসুন আজ আমরা জেনে নেই শীতের সময় এসি ব্যবহারের ফলে আমাদের শরীরে কি কি সমস্যা হতে পারে। আর এর থেকে মুক্তি পেতে কি করণীয়।

সংক্রমণ: শীতের সময় এসি ব্যবহার করলে ঘর দূষিত হয়ে পড়ে। এই সময় ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস ও ভাইরাস বেশি বৃদ্ধি পায়। এসি ব্যবহার করলে ঘরের মধ্যে এগুলোর পরিবহন বেড়ে যায়। এতে সংক্রমণ তৈরি হয়।

চুলকানি: শীতে এসি ব্যবহার করলে চুলকানির সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। ত্বক বেশি শুষ্ক হয়ে যাওয়ার জন্য এই চুলকানি হয়।

অ্যাজমা: শীতে অ্যাজমা বা হাঁপানির সমস্যা এমনিতেই বেড়ে যায়। আর যদি কক্ষের মধ্যে সব সময় এসি চলতে থাকে, তাহলে সমস্যাটি বেড়ে যায় অনেকগুণে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, অ্যাজমার রোগীদের শীতের সময় এসির মধ্যে না থাকাই ভালো।

এই সময়ে এসির মধ্যে বেশি ধুলা এবং ময়লা জমে। আর এসি পুনরায় ছাড়ার পর ধুলা ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এটি শ্বাস নিতে সমস্যা তৈরি করে।

শুষ্ক ত্বক: শীত এমনিতেই ত্বককে শুষ্ক করে তোলে। শীতের সময় এসি ব্যবহার করলে ত্বকের শুষ্কতা আরো বেড়ে যায়। এসির শুষ্ক ও শীতল বাতাস ত্বককে শুষ্ক করে, পাশাপাশি ত্বকের আর্দ্রতাও নষ্ট করে।

পানিশূন্যতা: শীতের সময় টানা এসির ব্যবহার শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করে। পানিশূন্যতা বড় ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই এ সময় এসি এড়িয়ে যেতে পারলেই ভালো।

ইসি/