সেশনজট নিরসনে কুবির শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

সেশনজট নিরসনে কুবির শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

কুবি প্রতিনিধি ৫:০৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০১৯

সেশনজট নিরসনে কুবির শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থীরা সেশনজট নিরসন ও পাঁচ দফা দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছে আজ। সোমবার সকাল নয়টার প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে শিক্ষার্থীরা।

এসময় শিক্ষার্থীরা ‘দাবি মোদের একটাই সেশনজট থেকে মুক্তি চাই, তিন বছরে তিন সেমিস্টার ধিক্কার ধিক্কার, পাঁচ বছরে পাঁচ সেমিস্টার ধিক্কার ধিক্কার’ ইত্যাদি শ্লোগান দিতে থাকে। এছাড়াও শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন তাদের সেশনজটের কারণে অনেকের স্বপ্ন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের দাবিসমূহ হলো- সেশনজট নিরসন, ব্যাচ ভিত্তিক শিফট করে ক্লাস রুটিন প্রণয়ন, নির্দিষ্ট একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন, আগামি ২৫ তারিখের মধ্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আর্ট এন্ড হ্যারিটেজ সোসাইটির পূর্ণাঙ্গ কমিটির নির্বাচন এবং দায়িত্ব হস্তান্তর, প্রতি জোড় সেমিস্টার পরীক্ষা পরবর্তী এক মাসের মধ্যে ফিল্ড ওয়ার্ক এবং ভাইভা শেষ করতে হবে।

এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা বর্তমান ক্লাস রুটিন নিয়ে সন্তুষ্ট নই। আর শিক্ষকরা ক্লাসের তুলনার একাডেমিক মিটিং, সভা-সেমিনার নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকে।

তাছাড়া আমাদের অন্যান্য বিভাগের সহপাঠীরা মাস্টার্সের ১ম সেমিস্টার ফাইনাল দিলেও আমরা এখনও ৭ম সেমিস্টারে রয়েছি। অনার্স শেষের দিকে যেখানে একাডেমিকের পাশাপাশি চাকুরীর পড়াশোনা করার কথা, সেখানে শিক্ষকরা এমন সিডিউল করেছেন শহর থেকে সকাল ৮ টার বাসে আসলে ৫ টার বাসে রুমে যাওয়া লাগে। এমনও শিক্ষক আছেন যিনি ক্লাসের প্রিপারেশন না নিয়ে আসলে শিক্ষার্থীদের হোম ওয়ার্কের উপর হোমওয়ার্ক দিয়ে থাকে ঐ টপিকস সম্পর্কে কোনো ধারণা না দিয়েই।

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) মো. সাদেকুজ্জামান বলেন- শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সাথে আমরাও একমত পোষণ করছি। বিভাগের সেশনজট নিরসনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি এবং আশা করছি বিভাগের সেশনজট ধীরে ধীরে কমে আসবে।

এরপর উপাচার্য শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনায় বসে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। এসময় শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে ৫ দফা দাবি জানালে উপাচার্য দাবিগুলোর সাথে সহমত পোষণ করেন।

এমএইচ/এমকে

 

ক্যাম্পাস: আরও পড়ুন

আরও