জাবির হল খুলতে আন্দোলনকারীদের আল্টিমেটাম

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

জাবির হল খুলতে আন্দোলনকারীদের আল্টিমেটাম

জাবি প্রতিনিধি ৯:২৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৩, ২০১৯

জাবির হল খুলতে আন্দোলনকারীদের আল্টিমেটাম

শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও হল খুলে দেয়ার জন্য আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক অনুষদের শিক্ষক লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এ আল্টিমেটাম দেন আন্দোলনকারীরা।

এছাড়া এই সময়ের মধ্যে দাবির বাস্তবায়ন না হলে ২২ নভেম্বর মহাসমাবেশের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ এর মুখপাত্র অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, ‘উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো ধরনের নীতি-নির্ধারণী সিদ্ধান্ত নিতে চাইলে তা প্রতিহত করা হবে। গত ৫ নভেম্বর শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে উপাচার্যের মদদে ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় রাষ্ট্রীয় আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’

এদিকে আন্দোলনের ২ সংগঠকের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫ আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে উপাচার্যের কার্যালয়ে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার হুমকি দেয়ার অভিযোগ তুলে জিডি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বুধবার উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নজির আমিন জয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি মাহাথির মুহাম্মদসহ পাঁচজন অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় জিডি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদিপ্ত শাহীন।

উপাচার্যকে হুমকির অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহাথির মুহাম্মদ বলেন, ‘এটা একটা মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ। আমরা অনুমতি নিয়েই তার কার্যালয়ে প্রবেশ করেছি। আন্দোলনকারীদের ওপর এমন ন্যক্কারজনক হামলার পর আমরা তাকে উপাচার্য কার্যালয়ে আর দায়িত্বপালন না করতে বিনীত অনুরোধ জানাই। এটাকে হুমকি হিসেবে সাজানো অত্যন্ত বাজে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

নজির আমিন চৌধুরী জয় বলেন, ‘একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কক্ষে তার শিক্ষার্থীরা কথা বলতে গেলে সেটাকে যদি হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাহলে সেটি দুঃখজনক। এর মধ্য দিয়ে এই উপাচার্য কতটা অসহিষ্ণু মনোভাবের তা বুঝতে পারা যায়। এ ঘটনা প্রমাণ করে উপাচার্য নিজেই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে পরিণত হয়েছেন। যিনি ভিত্তিহীন অভিযোগে বারবার শিক্ষার্থীদের নামে মামলা ঠুকে দেন।’

এর আগে পহেলা নভেম্বর এক সহকারী প্রক্টরের ওপর হামলার অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জন আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে মামলা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এইচআর

 

ক্যাম্পাস: আরও পড়ুন

আরও