প্রধানমন্ত্রীকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

প্রধানমন্ত্রীকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৪:০১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০১৯

প্রধানমন্ত্রীকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৯ অক্টোবর গণভবনে তার সাম্প্রতিক জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ এবং ভারত সফর বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। সেখানেই বুয়েট প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

তারা বলেছেন, ‘আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি প্রথম থেকে অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে আমাদের বিষয়টি হ্যান্ডেল করছেন বলেই বিচারকাজ এতদূর এগিয়েছে। পাশাপাশি আমরা এও বিশ্বাস করি, ওনার সরাসরি তত্ত্বাবধান আছে বলেই আমাদের প্রশাসন দাবিগুলো মেনে নিয়েছে।’

ছাত্ররা বলেন, ‘এর পর আমরা ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাদের ভিসি স্যারকে। তিনি আমাদেরকে গতকাল কয়েক ঘণ্টা সময় দিয়েছেন। সবচেয়ে বড় কথা আমাদের দাবিগুলোর বিষয়ে তিনি আমাদেরকে তার সুস্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন।’

তারা বলেন, আমাদের কথা ছিল দাবি বাস্তবায়ন হলে আমরা মাঠ ছাড়বো। ১২ হাজার ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে আমরা দুই দিন আন্দোলন স্থগিত রাখছি। আমরা পাঁচ দফা দাবির বিষয়ে স্যারদের ভূমিকায় আস্থা রাখছি।

‘আমাদের আন্দোলন এখনও ১০ দফা দাবি আদায়ের ব্যাপারে। কিন্তু ১২ হাজার ভর্তি পরীক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের কথা বিবেচনা করে তাদের যাতে অসুবিধা না হয় এ জন্য আমরা ক্যাম্পাসে একটি সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে আন্দোলন দুই দিন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তারা বলেন, ‘পাঁচটি পয়েন্ট মেনে নেওয়ার মধ্য দিয়ে আন্দোলন একেবারে থামবে না বরং আমাদের আন্দোলন ১০ দফা নিয়ে, আর সেটা চলবে। আর যেসব বিষয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর নির্ভরশীল। আমরা চাই না, এই বিষয়ে প্রশাসনের ওপর অতিমাত্রায় চাপ সৃষ্টি করতে। কারণ তাড়াহুড়া করে ভুলভাল বিচারের পক্ষে আমরা নই।’

উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর বুয়েটের শেরে বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরার ফাহাদকে শিবির সন্দেহে ব্যাপক মারধর করে হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে ইইই বিভাগের ১৭তম ব্যাচের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরারের মৃত্যু হয়।

এর পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা হত্যাকারীদের বিচারসহ কয়েক দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুরু থেকেই বিষয়টিতে কঠোর মনোভাব দেখিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থী হত্যার সঙ্গে যেই জড়িত থাক তার সর্বোচ্চ শাস্তি হবে। এ ব্যাপারে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশও দেন তিনি। এমনকি হত্যার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ক্যাম্পাসে না আসায় ভিসির সমালোচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, বুয়েট কর্তৃপক্ষ চাইলে রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে।   

এসএস/আরপি

 

ক্যাম্পাস: আরও পড়ুন

আরও