সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করল জবি শিক্ষার্থীরা

ঢাকা, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬

সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করল জবি শিক্ষার্থীরা

জবি প্রতিনিধি ১১:৩৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯

সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করল জবি শিক্ষার্থীরা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় গেটের সামনে লেগুনা স্টান্ডের আশেপাশের সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

পূর্বঘোষিত পরিকল্পনা অনুয়ায়ী মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় গেটটি উন্মুক্ত করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এর আগে গত ১৫ই সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীরা লেগুনা স্ট্যান্ড উচ্ছেদের দাবিতে ক্যাম্পাসে মিছিল করেন এবং দ্বিতীয় গেটের লেগুনা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করে দ্বিতীয় গেট উন্মুক্ত করে দেয়। এরপরের দিন আবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গেটটি বন্ধ করে দেয়।

এরই প্রেক্ষীতে আজ মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রথমে মিছিল বের করে। ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে তারা রড ও টিন দিয়ে বন্ধ করা দ্বিতীয় গেট ভেঙে ফেলে। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা গেটের সামনে লেগুনাস্ট্যান্ড এবং ফুটপাতের সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে।

এসময় আন্দোলনকারী নেতারা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দোকানপাট ক্যাম্পাসের ২য় গেট এবং গেটের আশেপাশের এলাকা দখল করে রেখেছে। প্রশাসন দেখেও এর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। আমরা বারবার সতর্কতা সত্ত্বেও, দখলকারীরা স্থাপনাগুলি সরিয়ে নিতে কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। তাদের অমানবিক আচরণ দেখে আমরা সেগুলো ভেঙে ফেলতে বাধ্য হই।

এ সময় শিক্ষার্থীরা আরো জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো জায়গা কারো দখলে নিতে দেয়া হবে না।  আমরা সর্বদা এ বিষয়ে সোচ্চার। আজ থেকে দ্বিতীয় গেট আমরা উন্মুক্ত ঘোষণা করছি।  এরপর শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করে। এক সপ্তাহের ভেতর লেগুনা স্ট্যান্ড সম্পূর্ণভাবে তুলে দেওয়ার দাবি জানান।

সেই সাথে দ্বিতীয় গেটটি সংস্কার করে পুরোপুরি অবমুক্ত করারও দাবি জানান।

এ বিষয়ে বাহাদুর শাহ পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আবদুস সালাম বলেন, আমরা এখান থেকে লেগুনা স্ট্যান্ড সরানোর প্রস্তুনি নিচ্ছি। খুব তাড়াতাড়ি আমরা এখান থেকে সরে যাবো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে আমরা সকল অবৈধ স্থাপনা সড়িয়ে দিয়ে দ্বিতীয় গেট উন্মুক্ত করে দিব। এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের সাথে আমরা কথা বলেছি।

জেটিএ/এআরই

 

ক্যাম্পাস: আরও পড়ুন

আরও