শোভনের গাড়িতে বসা নিয়ে মাথা ফাটলো ছাত্রলীগ নেতার!

ঢাকা, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

শোভনের গাড়িতে বসা নিয়ে মাথা ফাটলো ছাত্রলীগ নেতার!

পরিবর্তন প্রতিবেদক: ৬:৫৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯

শোভনের গাড়িতে বসা নিয়ে মাথা ফাটলো ছাত্রলীগ নেতার!

ছাত্রলীগ সভাপতি মো. রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের ব্যক্তিগত গাড়িতে তার পাশে বসাকে কেন্দ্র করে বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দুই সহসভাপতি। এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে শুরু হয় তুমুল মারামারি। একজন আরেকজনকে ইট দিয়ে আঘাতও করেন। এতে দুইজনই গুরুতর আহত হন। একজনের মাথা ফেটে যায়, কপালে ৬টি সেলাই পড়ে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

মারামারিতে জড়ানো দুই সহ-সভাপতির একজন হলেন শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ, আরেকজনের নাম তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে জহির। তারা দুজন বিশ্ববিদ্যালয়ের একই ব্যাচের ছাত্র এবং ভাল বন্ধু ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, দুপুরে মধুর ক্যান্টিনে আসেন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। বেলা একটার দিকে কোথাও যাওয়ার উদ্দেশ্যে মধুর ক্যান্টিনের সামনে থেকে গাড়িতে ওঠেন ছাত্রলীগ সভাপতি। এ সময় শোভনের পাশে বসা নিয়ে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী জহির ও শাহরিয়ার কবির বিদ্যুতের কথা কাটাকাটি হয়।

তখন গাড়ি থামিয়ে বিদ্যুৎ ও জহিরকে নামিয়ে দেন ছাত্রলীগের সভাপতি। গাড়ি থেকে নেমেই মধুর ক্যান্টিনের সামনে দুজনের মধ্যে শুরু হয় তুমুল মারামারি। এক পর্যায়ে জহিরের ইটের আঘাতে বিদ্যুতের কপাল ফেটে রক্ত বের হতে থাকে।

মারামারির ঘটনার পর চিকিৎসা নিতে বিদ্যুৎ যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে আর জহিরকে নিজের গাড়িতে করে নিয়ে যান ছাত্রলীগের সভাপতি। বিদ্যুতের কপালে ৬টি সেলাই পড়েছে বলে জানা গেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সহসভাপতি বিদ্যুৎ সাংবাদিকদের বলেন, ‘জহির আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার কারণ “সিন্ডিকেট-অ্যান্টি সিন্ডিকেট”। জহির সিন্ডিকেটের লোক ও তার ব্যাকগ্রাউন্ড “জামায়াত-শিবির”। যারা আমার মতো দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ভাবে ছাত্রলীগের রাজনীতি সঙ্গে জড়িত, তারা জহিরের টার্গেটে আছে।’

এ বিষয়ে জহিরের একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী বলেন, ‘এটা তেমন সিরিয়াস কোনো ঘটনা নয়। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য বিদ্যুৎ এই ঘটনাটিকে ব্যবহার করতে চাইছেন।’

এদিকে ঘটনার সময় সেখানে দায়িত্ব পালনরত ইনকিলাবের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি নুর হোসাইন ইমনের হাত থেকে মোবাইল কেড়ে নেন ছাত্রলীগের আরেক সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। এ সময় তিনি নুর হোসাইনকে জোর করে শোভনের গাড়িতে উঠিয়ে ভিডিও ডিলিট করিয়ে নেন।

ওএস/পিএসএস

 

ক্যাম্পাস: আরও পড়ুন

আরও