কুবির আবাসিক শিক্ষার্থীদের আতঙ্কের নাম ‘সাপ’

ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

কুবির আবাসিক শিক্ষার্থীদের আতঙ্কের নাম ‘সাপ’

কুবি প্রতিনিধি ৯:৪৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৯

কুবির আবাসিক শিক্ষার্থীদের আতঙ্কের নাম ‘সাপ’

সাপের আতঙ্কে তটস্থ থাকা যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) হলগুলোর আবাসিক শিক্ষার্থীদের কাছে। পাহাড় আর সবুজের মাঝে বেড়ে ওঠা আবাসিক হলগুলোতে সাপের উপদ্রব বেড়েই চলেছে।

যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করার অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

গত বর্ষা মৌসুম থেকে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকবার আবাসিক হলের বিভিন্ন তলায় সাপ প্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে অনেক সময় সাপকে পিটিয়ে মেরে ফেলছেন শিক্ষার্থীরা।

সর্বশেষ গত শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের উত্তর ব্লকের নিচতলায় বাথরুমের পাশ দিয়ে একটি সাপ ভেতরে ঢুকার চেষ্টা করলে প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে সাপটিকে মেরে ফেলে। তারা বলছেন, সাপটি বিষধর ছিল।

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদ মোল্লা বলেন, ‘রাত ১টার পর আমি হাত-মুখ ধোয়ার জন্য বাথরুমে গিয়ে দেখি জানালা দিয়ে সাপটি ভেতরে আসার চেষ্টা করছে। সাথে সাথে আমি আমার বন্ধুদের ডাকি। প্রথমে একটি লাঠি দিয়ে গুঁতো দিলে সাপটি ভয়ঙ্করভাবে ছোবল তুলে ধেয়ে আসে আমাদের দিকে। পরে আমরা সাপটিকে মারতে বাধ্য হই।’

শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল ছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, কাজী নজরুল ইসলাম হল ও নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হলের শিক্ষার্থীরা জানান, সাপের ভয়ে সবসময় আতঙ্ক কাজ করে তাদের মধ্যে। রাত-বিরাতে শৌচাগারে যাওয়ার সময়ও সাপের ভয় কাজ করে।

প্রশাসন সাপের উপদ্রব ঠেকাতে কার্বলিক এসিড বা সাপ তাড়ানোর কোনো রাসায়নিক প্রয়োগের মতো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না বলেও অভিযোগ আবাসিক শিক্ষার্থীদের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ জুলহাস মিয়া পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘সাপের উপদ্রবের বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছি। খুব শিগগিরই হলের বিভিন্ন স্থানে কার্বলিক এসিড দেয়া হবে।’

 হল পাহাড়ঘেরা হওয়ায় শিক্ষার্থীদেরও সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি বলে তিনি জানান।

এইচআর

 

ক্যাম্পাস: আরও পড়ুন

আরও