ময়মনসিংহ মেডিকেল শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানীর প্রতিবাদে বিক্ষোভ

ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

ময়মনসিংহ মেডিকেল শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানীর প্রতিবাদে বিক্ষোভ

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি ৪:২৫ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০১৯

ময়মনসিংহ মেডিকেল শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানীর প্রতিবাদে বিক্ষোভ

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের ছাত্রী হোস্টেলের সামনে এক শিক্ষার্থীকে বহিরাগতের শ্লীলতাহানীর ঘটনার প্রতিবাদে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটকে তালা দিয়ে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করছে ছাত্রছাত্রীরা।

তাদের দাবি, ওই বহিরাগতকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে।

এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ নিয়ে কলেজ প্রশাসন ও উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় বৈঠক চলছে।

জানা যায়, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের এম-৫৫ ব্যাচের এক শিক্ষার্থী বুধবার ইফতারের আগে ইফতার নিয়ে ক্যাম্পাসের ছাত্রী হোস্টেলে প্রবেশের সময় বহিরাগত এক বখাটে তাকে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে। এসময় প্রবেশদ্বারে কোনো দারোয়ান ছিল না।

বিষয়টি রাতেই হোস্টেল সুপার নাহিদা আক্তার এবং কলেজ অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেনকে অবহিত করে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো শিক্ষার্থীদের বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার কথা বললে ফুঁসে উঠে তারা।

বৃহস্পতিবার সকালে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ছাত্রী হোস্টেলের দারোয়ান রাজাকে জিঞ্জাসাবাদের পর মারধর করলে ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সাথে শিক্ষার্থীদের বাকবিতন্ডা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সকাল ১০টা থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে কলেজের প্রধান ফটক তালাবদ্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করে। অপরদিকে ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীরাও ক্যাম্পাসের ক্যান্টিনের সামনে অবস্থান নেয়। খবর পেয়ে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আল আমিন অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। 

আন্দোলরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তার অভাবে প্রায়ই নানা দুর্ঘটনা ঘটছে। বিভিন্ন সময় আন্দোলন করেও নিরাপত্তা নিশ্চিত ও বহিরাগতদের অবাধে প্রবেশ ঠেকানো যাচ্ছে না। নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত তারা ক্লাসে ফিরবেন না। অপরদিকে একই দাবি জানিয়েছেন ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীরাও।

সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আল আমিন জানান, ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও কলেজ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক চলছে। 

এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আনোয়ার হোসেনের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কল রিসিভ করেননি তিনি।

পিএসএস

 

ক্যাম্পাস: আরও পড়ুন

আরও