ইবিতে ছাত্রী হেনস্থা, প্রশাসনের কাছে বিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ বাবার

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৫

ইবিতে ছাত্রী হেনস্থা, প্রশাসনের কাছে বিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ বাবার

ইবি প্রতিনিধি ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২২, ২০১৮

print
ইবিতে ছাত্রী হেনস্থা, প্রশাসনের কাছে বিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ বাবার

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষক কর্তৃক মানসিক ভারসাম্য হারানো সেই ছাত্রীর বাবা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ছাত্রীর বাবা জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত চিঠিতে অভিযুক্ত শিক্ষক সঞ্জয় কুমারের বিচার দাবি করা হয়েছে।

শনিবার অভিযোগটি আমলে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী নির্যাতন ও যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সেলের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ।

রেজিস্ট্রার দপ্তর ও ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সঞ্জয় কুমার সরকারের বিরুদ্ধে নিজ বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে নিপীড়ন ও মানসিক হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। পরে মানসিক ভারসাম্যহীন ওই ছাত্রীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে প্রশাসন।

গত ৯ জুলাই ঘটনা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে কর্তৃপক্ষ। ১৪ জুলাই ই-মেইলে মেয়েটির বাবা ওই শিক্ষকের বিচার চেয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন প্রেরণ করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষক সঞ্জয় কুমারের অসৎ চরিত্র ও কুপ্রবৃত্তির প্রতিবাদ করায় আমার মেয়ের সাথে মৌখিক পরীক্ষায় হিংস্র আচরণ এবং লিখিত পরীক্ষায় অকৃতকার্য করানো হয়। এরকম শিক্ষকের পশুসুলভ আচরণে আমার ‘মা হারা’ মেয়েটি হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। সে এখনও সঞ্জয়ের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা ও হুমকির কথা মনে করে মানসিকভাবে ঠিক থাকতে পারছে না। আমি অসুস্থ পিতা হয়ে উক্ত অপরাধের সঠিক বিচার এবং কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আবেদন করছি। আমার মেয়ের মতো যেন আর কোনো মেয়েকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে হাসপাতালের বেডে মাথা ঠুকে মরতে না হয়।

এদিকে, লিখিত আবেদন করার এক সপ্তাহ পার হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ বলেন, ‘বিলম্বে অভিযোগ পাওয়ার কারণে গঠিত তদন্ত কমিটির কার্যকারিতা শেষ হয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অভিযোগপত্রটি শনিবার নারী নির্যাতন ও যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সেলে পাঠানো হয়েছে। ওই সেল এখন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

আইআর/এএল/

 
.


আলোচিত সংবাদ