ইদলিবে এখন কী করবে তুরস্ক?

ঢাকা, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৫ পৌষ ১৪২৫

ইদলিবে এখন কী করবে তুরস্ক?

মারিয়া পেটকোভা ৮:২৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮

ইদলিবে এখন কী করবে তুরস্ক?

কয়েক সপ্তাহের কূটনৈতিক তৎপরতার পর তুরস্ক সিরিয়ার উত্তরপশ্চিমে বিদ্রোহীদের শেষ শক্ত ঘাঁটি ইদলিবে পুরোদমে সামরিক অভিযান ঠেকাতে সফল হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

গত সপ্তাহে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোয়ান ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বিদ্রোহীদের দখলে থাকা অঞ্চলের ১৫-২০ কিলোমিটার ভিতর পর্যন্ত এলাকা বাফার জোন বা নিরপেক্ষ বেসামরিক এলাকা প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছেন।

রাশিয়া এখন ইদলিব আক্রমণ করবে না বললেও, তারা প্রদেশটি থেকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে’, বিশেষত হায়েত তাহরির আল শাম (আইচটিএস)-কে, সরিয়ে দিতে তুরস্ককে চাপ দিচ্ছে।

এইচটিএস আগে আল-কায়েদার সহযোগী সংগঠন ছিল। দলটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি যোদ্ধা রয়েছে, যাদের অনেকেই ইউরোপীয়।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য , ফ্রান্স, রাশিয়া, তুরস্ক, ইরান ও জাতিসংঘসহ অনেকেই এইচটিএসের পূর্ববর্তী সংগঠন আল-নুসরাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল।

সোচি চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য তুরস্কের প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে ইদলিবের প্রধান সশস্ত্র সংগঠন এইচটিএসকে সামলানো।

এইচটিএসের এক সাবেক সদস্য, মধ্যমপন্থি বিরোধীদলগুলোর একজন কমান্ডার এবং বিশ্লেষকরা কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে জানান, তুরস্ক সশস্ত্র দলটিকে বিলীন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে আঙ্কারা ইদলিবে সামরিক অভিযানেরও পরিকল্পনা করে রেখেছে।

২০১২ সালে আল-নুসরা ফ্রন্ট গঠনের পর থেকে এটি সিরিয়ার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। ২০১৬ সালে আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে তারা নতুন নাম নেয়, কিন্তু তাতে কোনো ফল হয়নি। ২০১৭ সালে ইদলিবের আরেকটি কট্টরপন্থী সংগঠন আহরার আল-শামের সঙ্গে সংঘর্ষের পর তারা হায়াত তাহরির আল-শাম নামের সগঠনটি তৈরি করে।

‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ অভিধাটি ঝেড়ে ফেলার জন্য এইচটিএস বিভিন্ন রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গেলেও এর উচ্চ পর্যায়ে আল-কায়েদার প্রথম সারির সদস্যরা রয়েছেন।

ইস্তাম্বুলভিত্তিক বিশ্লেষক আহমেদ আবাজাইদের মতে, দলটি বিভিন্ন ধারায় বিভক্ত। এর মধ্যে একটি ভাগ আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগের বিরোধী, আবার আরেকটি দল সিরিয়ার ভিতরে মনোযোগ দেয়ার পক্ষপাতী।

গত কয়েক বছর ধরে তুর্কি ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিগুলোর প্রধান কৌশল ছিল এসব দলটির অভ্যন্তরীণ বিভাজনকে কাজে লাগানো, বলেন আবাজাইদ।

ইরান, রাশিয়া ও তুরস্ক ইদলিবে সামরিক অভিযানের প্রচণ্ডতা কমানোর বিষয়ে একমত হওয়ার পর গত বছর তুরস্ক সেখানে এইচটিএসসহ সবগুলো দলের সহযোগিতা কামনা করে।

মধ্যমপন্থি একটি বিরোধীদলের সাবেক কমান্ডার খালেদ রাহাল জানান, ন্যুনতম ১২টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সেনা মোতায়েনের শর্তে এইচটিএসের নেতারা তুরস্ককে সহায়তার আশ্বাস দেন।

গত বছর অক্টোবরে তুরস্ক প্রথম ঘাঁটি স্থাপনের সময় থেকে এ বছরের মে পর্যন্ত সবগুলো ঘাঁটি স্থাপন সম্পন্ন করা পর্যন্ত এইচটিএস তাদেরকে নিরাপত্তা দিয়েছে।

এইচটিএসের সাবেক সদস্য আবু আব্দুল্লাহ জানান, দলটি তুরস্ককে বিশ্বাস করে না এবং ইদলিবে তাদের সেনা উপস্থিতি নিয়ে তারা শঙ্কিত। একারণে তারা প্রতিটি তুর্কি নজরদারির কেন্দ্রের বিপরীতে ব্যাপক অস্ত্রসজ্জিত নিজস্ব ঘাঁটি বসিয়েছে।

দলটিতে সিরীয় নয় এমন কয়েকজন আরব সদস্য তুরস্ককে সহায়তা করার বিরোধী এবং এবং তারা হুরাস আল-দিন নামে নতুন একটি দল গঠন করেছে। এইচটিএসের বিদেশি কয়েকজন সদস্য ইতিমধ্যেই এতে যোগ দিয়েছে, এবং তুরস্কের চাপে এইচটিএস বিদেশি সদস্যদের ত্যাগ করবে এই আশঙ্কায় আরও অনেকেই নতুন দলে যোগ দিবে বলে মনে করা হচ্ছে।

গত বছর থেকে এইচটিএস আইএসের সহযোগী বিভিন্ন সশস্ত্র দলের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। আবু আব্দুল্লাহর তথ্য মতে, এইচটিএস আইএসের বিভিন্ন শাখার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে এর বিভিন্ন সদস্যকে হত্যা করেছে। মসুলের যুদ্ধের পর ইরাক থেকে পালিয়ে আসা কিছু বিদেশি যোদ্ধারা অস্ত্র সংগ্রহ শুরু করেছিল। কয়েক মাস আগে এইচটিএস তাদের ঘাঁটিতে আক্রমণ চালায় বলে জানান আব্দুল্লাহ।

প্রায় দেড় মাস আগে তারা সশস্ত্র ফরাসি যোদ্ধাদের কয়েক জন সদস্যকেও তারা গ্রেফতার করে।

এবছর গ্রীষ্মে রাশিয়া সিরিয়ায় আক্রমণ বাড়ানোর হুমকি দিলে তুরস্ক এইচটিএসকে বিলীন করে দেয়ার আহ্বান জানায়।

আবু আব্দুল্লাহর তথ্য মতে, তুরস্ক, রাশিয়া ও ইরান ৭ সেপ্টেম্বর সম্মেলনে মিলিত হওয়ার আগে আঙ্কারা প্রতি সপ্তাহে এইচটিএসের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বিরোধীদলও আরও কয়েকজন এই খবর নিশ্চিত করেছেন।

এইচটিএস তাদের দল ভেঙ্গে দিয়ে আরেকটি মধ্যম্পন্থি দলের অধীনে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে, তবে শর্ত হচ্ছে তাদের নেতা আবু মোহাম্মদ আল-জুলানিকেই সামরিক কমান্ডার পদে বহাল রাখতে হবে এবং তাদের বিদেশি যোদ্ধাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে হবে, বলেন আব্দুল্লাহ।

প্রথম শর্তে একমত হলেও, বিদেশিদের নিরাপত্তার বিষয়ে তুরস্ক দ্বিমত পোষণ করে দলটির সব বিদেশিকে ত্যাগ করার দাবী জানিয়েছে।

‘এটা হতে পারে না। জুলানির ডান আর বাম হাত সবাই বিদেশি,’ বলেন তিনি।

এইচটিএস’র ১৬ হাজার যোদ্ধার মধ্যে সিরিয়ার বাইরের আরব নাগরিকসহ অন্যান্য দেশের প্রায় ৩-৪ হাজার সদস্য রয়েছে।

সাবেক কমান্ডার রাহাল আলজাজিরাকে জানান, সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ৪০ সদস্যের মধ্যে অনেকেই বিদেশি। তারা অত্যন্ত গোপনীয় জীবন যাপন করেন এবং গোপনে চলাফেরা করেন।

অতীতে, ২০১৬ ০ ২০১৭ সালে মার্কিন ড্রোন ও বোমা হামলায় দলটির উচ্চ পর্যায়ের বিদেশি সদস্য আবু ফারাজ আল-মাসরি এবং আবু আল-খায়ের আল-মাসরি নিহত হন।

সেপ্টেম্বর ১৭ তারিখে রাশিয়ার সোচি শহরে রুশ ও তুর্কি কর্মকর্তারা বেসামরিক এলাকা প্রতিষ্ঠা এবং প্রদেশটি থেকে এইচটিএসকে অপসারণের বিষয়ে ঐকমত্যকে আনুষ্ঠানিক রুপ দেয়।

এই চুক্তির আওতায়, মধ্যমপন্থি দলগুলোকে বেসামরিক এলাকার ভিতরে রেখে এইচটিএসসহ অন্য সব দল এবং সব ধরনের ভারি অস্ত্র সরিয়ে ফেলার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। তবে এটা কিভাবে বাস্তবায়ন করা হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

আবু আব্দুল্লাহর মতে, এই ঘোষণা দেয়ার আগে তুর্কি নিশ্চিতভাবেই এইচটিএসের সম্মতি নিয়েছে। বিনিময়ে দলটি তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা ও ইদলিবের বাকি এলাকায় নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি আদায় করেছে।

এই সিদ্ধান্তে দলটির দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির সদস্য, বিশেষ করে বিদেশি যোদ্ধাদের মধ্যে মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

এইচটিএসের নেতারা সম্ভবত এই প্রতিক্রিয়া অনুমান করেছিল। কিন্তু স্থানীয় বেসামরিক লোকজন সমর্থিত তুরস্ককে প্রত্যাখ্যান করার চেয়ে এবং রাশিয়ার নেতৃত্বে ইদলিবে হামলার চেয়ে এতে তাদের ক্ষয়ক্ষতি কম হবে বলেই মনে করেছে বলে মন্তব্য করেন আব্দুল্লাহ।

নাম গোপন রাখার শর্তে একজন কমান্ডার নিশ্চিত করেছেন, এইচটিএস সোচি চুক্তি মেনে নিয়েছে, তবে দলের বিভিন্ন অংশে এটি নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সশস্ত্র সংগঠনটি এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য দেয়নি।

গত সপ্তাহে হুরাস আল-দিন সোচি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামে একটি বিবৃতি দিয়েছে।

আবু আব্দুল্লাহ আরও জানান, তুর্কি ও এইচটিএস কর্মকর্তাদের মধ্যে এখনও বৈঠক চলছে এবং সশস্ত্র দলটি কোনো আক্রমণের মোকাবেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে না। ৭ সেপ্টেম্বর তেহরান সম্মেলনের পর ইদলিবে পাঠানো তুর্কি সৈন্যদেরও সহায়তা দিয়েছে এইচটিএস যোদ্ধারা।

তুর্কি সরকার এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য দিতে অস্বীকার করেছে। ৩১ আগস্ট আঙ্কারা এইচটিএসকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে।

আবাজাইদ মনে করেন, রাশিয়ার আক্রমণ বন্ধ করতে একসময় না এক সময় তুরস্ককে এইচটিএসের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালাতেই হবে। তারা নিজেদের সেনাবাহিনী দিয়েও এটা করতে পারে আবার অন্যান্য দলগুলোকেও এতে কাজে লাগাতে পারে।

এদিকে, এবছরই তুরস্ক মধ্যমপন্থি বিরোধীদলগুলোকে একত্রিত করে সম্মিলিত একটি সামরিক জোট তৈরির চেষ্টা করেছে।

মে মাসে, তুরস্ক সমর্থিত ফাইলাক আল-শাম এবং ফ্রি সিরিয়ান আর্মির সমন্বয়ে আল-জাবহা আল-অয়াতানিয়া লিল-তাহরির (এনএফএল) নামে একটি জোট গঠন করা হয়েছে। আগস্ট মাসে, কট্টরপন্থী আহরার আল-শাম, নুর আল-দিন আল-জিঙ্কি, সকুর আল-শাম ও জইশ আল-শামসহ অন্যান্য প্রধান সশস্ত্র দল এই জোটে যোগ দেয়।

একই সঙ্গে তুরস্ক সিরিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশাধিকার পাওয়ার চেষ্টা করছে। বর্তমানে এটি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দু’টি সূত্র বলছে, মস্কো ভবিষ্যতে এইচটিএসের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর জন্য ইদলিবের আকাশে তুরস্ককে প্রবেশের অনুমতি দেয়ার বিষয়টি মস্কো বিবেচনা করছে।
মধ্যমপন্থি দলগুলোর সংগঠন এনএফএলের মধ্যে ঐক্যের অভাবে এসব অভিযান ব্যাহত হতে পারে। আবু আব্দুল্লাহ ও রাহাল দু’জনই মনে করেন সুসংগঠিত এইচটিএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই জোটের দলগুলো উৎসাহী নাও হতে পারে।

কিন্তু দ্বিমত পোষণ করে আবাজাইদ জানান, এনএফএলের যোদ্ধারা এইচটিএসের যোদ্ধাদের চেয়ে সংখ্যায় অনেক বেশি। আগে, এবছর এনএফএলের দু’টি দল আহরার আল-শাম ও নুর আল-দিন আল-জিঙ্কি ইদলিব ও পশ্চিম আলেপ্পোর কয়েকটি এলাকা থেকে এইচটিএসকে হটিয়ে দিতে সক্ষম হয়।

নাম গোপন রাখার শর্তে এফএসএ’র একজন কমান্ডার আলজাজিরাকে জানিয়েছিলেন, এইচটিএসের মোকাবেলা করার ক্ষমতা এনেফেল-এর রয়েছে। ‘এইচটিএসকে অবলুপ্ত করার বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেয়া না হওয়ায়’ তারা এখন পর্যন্ত দলটিকে আক্রমণ করেনি। তিনি বলেন, সমস্যাটা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ ‘এখনও কুর্দিদের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে’, তুরস্ককে নয়।

ওই কমান্ডারের দলটিকে যুক্তরাষ্ট্র অর্থ সাহায্য দিয়ে আসছিল। তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো, বিশেষ করে ইউরোপের দেশগুলো আবার এইচটিএস ও অন্যান্য কট্টরপন্থী দলগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উৎসাহী হয়ে উঠেছে। বর্তমানে সিরিয়ার কয়েকটি বিরোধী দল ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে অর্থ সহায়তার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।

এইচটএসকে পরাজিত করার মূল চাবিকাঠি হচ্ছে দলটির প্রতি স্থানীয়দের শত্রুতাপূর্ণ মনোভাব। এইচটিএস’র পূর্ববর্তী আল-নুসরা ইদলিবের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই স্থানীয় লোকজন ও অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যা বেড়েই চলছে। গত তিন বছর ধরে ইদলিবের বিভিন্ন এলাকায় আগ্রাসী মনোভাবের স্থানীয়রা বিক্ষোভও প্রদর্শন করেছে।

এ মাসেই ইদলিবে সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর আক্রমণের সম্ভাবনা দেখা দিলে স্থানীয়রা প্রতিবাদ শুরু করে। এসময় তারা এইচটিএসের বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয়া শুরু করলে দলটির যোদ্ধারা মানুষের ভিড়ের ওপর গুলি চালিয়ে দেয়।

এইচটিএস বেসামরিক মানুষদের অপহরণ করে চাঁদা আদায় করে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

[আলজাজিরায় প্রকাশিত মারিয়া পেটকোভার প্রতিবেদন থেকে অনুবাদ করেছেন মোহাম্মদ মামুনূর রশিদ। বুলগেরীয় সাংবাদিক পেটকোভা মধ্যপ্রাচ্য, বলকান এবং পূর্ব ইউরোপের সংবাদদাতা]

এমআর/এএসটি