মুন্নার চলে যাওয়ার ১৩ বছর

ঢাকা, বুধবার, ১৫ আগস্ট ২০১৮ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৫

মুন্নার চলে যাওয়ার ১৩ বছর

পরিবর্তন ডেস্ক ১:০০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৮

print
মুন্নার চলে যাওয়ার ১৩ বছর

‘কিং ব্যাক’ খ্যাত মোনেম মুন্নার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী সোমবার। ১৩ বছর আগে ২০০৫ সালে এই দিনেই পরপারে পাড়ি জমান দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় এই তারকা। কিডনির রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন মুন্না।

সময় যতো গড়ায়, অতীতের স্মৃতিতে ধুলো জমে ততো। মুন্নার চলে যাওয়ার ১৩ বছর পূর্ণ হলো। কিন্তু আজো কি তাকে ভুলতে পেরেছেন কেউ? মুন্নার প্রয়াণের পর যে প্রজন্মের আবির্ভাব, সে প্রজন্মও এখন কৈশোরে পা দিতে চললো। ফুটবলার মুন্নাকে চোখে না দেখলেও নাম শুনেই বড় হতে হয়েছে তাদের। মুন্না নামটি যে মুছে যাওয়ার নয়। দেশের ফুটবলের উজ্জ্বল একটি নাম।

জানা গেছে, মুন্নার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার নারায়ণগঞ্জ সোনালী অতীত ক্লাব ও মুন্না স্মৃতি সংসদ বেশ কিছু কর্মসূচী পালন করবে। ফুল দেওয়া হবে মুন্নার কবরে। মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ সোনালী অতীত ক্লাব আয়োজন করেছে মিলাদ মাহফিলের।

১৯৮০-৮১ সালে পাইওনিয়ার ফুটবলের মাধ্যমে মুন্নার উঠে আসা। পরের বছর শান্তিনগর ফুটবল দলের হয়ে খেলেন দ্বিতীয় বিভাগে। ১৯৮৩ সালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের হয়ে দ্বিতীয় বিভাগে খেলেন। পরের বছর একই ক্লাবের হয়ে অভিষেক প্রথম বিভাগ ফুটবলে। ১৯৮৪ সাল থেকে দুই বছর মুক্তিযোদ্ধায় কাটান মুন্না। এরপর এক বছর খেলেছেন ব্রাদার্সে। ১৯৮৭ সাল থেকে আবাহনীর ঘরের ছেলেতে পরিণত হন তিনি। আমৃত্যু জড়িয়ে ছিলেন আকাশি-নীল শিবিরের সঙ্গে।

জাতীয় দলে মুন্নার অভিষেক ১৯৮৬ সালে সিউল এশিয়ান গেমসে। ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত লাল-সবুজের জার্সিতে খেলেছেন মুন্না। ১৯৯০ সালে বেইজিং এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব পান তিনি। ক্লাব ক্যারিয়ারে কলকাতার বিখ্যাত ফুটবল ক্লাব ইস্ট বেঙ্গলের হয়েও খেলেছেন তিনি। ১৯৯১-৯৩ সাল পর্যন্ত খেলেছেন কলকাতার লিগে।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের প্রথম সাফল্যটি এসেছিল মুন্নার হাত ধরেই। ১৯৯৫ সালে মুন্নার নেতৃত্বে মিয়ানমারে গ্র্যান্ড রয়্যাল চ্যালেঞ্জ কাপে অংশ নেয় বাংলাদেশ। চার জাতির আসরে শিরোপা জেতে লাল-সবুজের দল।

টিএআর/পিএ

 
.


আলোচিত সংবাদ