আমন্ড বা আখরোট কখন কোনটা খাবেন

ঢাকা, ২০ জুলাই, ২০১৯ | 2 0 1

আমন্ড বা আখরোট কখন কোনটা খাবেন

পরিবর্তন ডেস্ক ১:৫৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০১৯

আমন্ড বা আখরোট কখন কোনটা খাবেন

ওজন কমানোর প্রয়োজন হোক বা টুকটাক খিদে সামাল দেওয়ার হাতিয়ার, ড্রাই ফ্রুটসের কদর বরাবরই বেশি। কিন্তু নিয়ম না জেনে, বা প্রয়োজনীয় ড্রাই ফ্রুটসের জায়গায় অন্য কোনো ড্রাই ফ্রুট খেয়ে গেলে উপকার তো মেলেই না উল্টে পরিমাণের আধিক্যের জন্য ক্ষতিও হতে পারে। য়েমন ওবেসিটি থাকা সত্ত্বেও যদি অনেকটা কিসমিস খেয়ে ফেলেন তবে সমস্যায় পড়তে পারেন।

ড্রাই ফ্রুট তো খাব, কিন্তু ঠিক কতটা খাব? কোন কোন ফলকে বেশি রাখব প্লেটে এ সব নিয়ে প্রশ্ন তো আছেই, সঙ্গে আরো একটি ব্যাপার প্রায়ই মাথায় আসে, আমন্ড না কি আখরোট? কোনটা বেশি উপকারী, প্লেটে রাখলে শরীরের পক্ষে বেশি ভালো?

‘আমন্ড ও আখরোট দুই-ই শরীরের জন্য খুবই উপকারী। গুণাগুণও কম নয়। তবে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে এ সব খেতে শুরু করলে একটু জেনে রাখা ভালো, নির্দিষ্ট কিছু অসুখের জন্য কোনটার প্রয়োজনীয়তা কেমন’।

দেশ-বিদেশের নানা গবেষণা ও ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব রিসার্চ ইন মেডিক্যাল সায়েন্স’-এর করা একটি সমীক্ষার মতে, হৃদরোগ ঠেকানোর ক্ষমতা রয়েছে আমন্ড ও আখরোটের। অন্য ড্রাই ফ্রুটের তুলনায় এই দুই বাদাম জাতীয় ফল হৃদযন্ত্রের পক্ষে উপকারী।

ওবেসিটি কমাতে চাইলে আবার আখরোট নয়, আমন্ড বেশি কার্যকর। পুষ্টিবিদদের মতে, বিকেলের হালকা খিদে ঢাকতে কাজু-কিসমিসের সঙ্গে মিশিয়ে নিন একমুঠো আমন্ড। সব মিলিয়ে ৫০ গ্রাম ওজন হলে ওামন্ড রাখুন ২৫ গ্রাম। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও ডায়েটারি ফাইবার। ফলে আমন্ড খেলে অনেক ক্ষণ পেট ভরা থাকে। তাই ওজন কমাতে সাহায্য করে আমন্ড।

আমন্ডের মধ্যে থাকা মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে ডায়াবিটিসের সম্ভাবনাও কমে।

বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হলে বা অ্যালঝাইমার্স ডিজিজের সঙ্গে লড়তে চাইলে ওষুধপত্রের সঙ্গে পাতে রাখুন আখরোট। এই ফল স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বিশেষ কার্যকরী।

রাইবোফ্লোভিন ও এল-কারনাইটিন থাকার কারণে মস্তিষ্কে স্নায়ুর কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে আমন্ড। তাই স্নায়বিক কোনো অসুখ থাকলে আখরোট নয়, পাতে থাকুক বেশি করে আমন্ড।

‘বায়োলজি অব রিপ্রোডাকশন’-এর জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের দাবি, প্রতি দিন যদি অন্তত ৭৫ গ্রাম করে আখরোট খাওয়া যায় তবে পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের সমস্যা কমে। কারণ আখরোট বাড়িয়ে দেবে স্পার্ম কাউন্ট বা শুক্রাণুর সংখ্যা।

ইসি/

 

ফিটনেস: আরও পড়ুন

আরও