তাওবার সুন্নত পদ্ধতি কি?

ঢাকা, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

তাওবার সুন্নত পদ্ধতি কি?

পরিবর্তন ডেস্ক ৭:১০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩০, ২০১৮

তাওবার সুন্নত পদ্ধতি কি?

প্রশ্ন : আসসালামু আলাইকুম। জানতে চাই, তওবা করার সুন্নাত পদ্ধতি কী? বাংলা ভাষায় কি তওবা করা যাবে? হারাম উপার্জনকারীর তওবা কবুল হয়?

উত্তর :

ওয়া আলাইকুমুস সালাম।

১. খাঁটিভাবে তাওবা করলে আল্লাহ্‌ তাআলা অতীতের ছোট বড় সমস্ত গোনাহ মাফ করে দেন। তবে বান্দার কোন হক নষ্ট করে থাকলে তাওবার পাশাপাশি তাকে তার হক তাকে বুঝিয়ে দেওয়া বা মাফ চেয়ে নেওয়া জরুরী। তাওবা তিনটি জিনিসের সমন্বয়-

এক. পূর্বের গোনাহের জন্য লজ্জিত ও অনুতপ্ত হওয়া। আর অপরের হক নষ্ট করলে তা তাকে বুঝিয়ে দেওয়া বা মাফ চেয়ে নেওয়া।

দুই. ভবিষ্যতে গোনাহ না করার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্প করা

তিন. আল্লাহ্‌ তাআলার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা।

আর ইস্তেগফার হল শুধু মৌখিকভাবে আল্লাহ্‌ তাআলার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা।

রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করে-

التائب من الذنب كمن لا ذنب له

অর্থঃ গুনাহ থেকে তাওবাকারী ঐ ব্যক্তির ন্যায় যার কোন গোনাহ নেই।–সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ৪২৫০

২. হ্যাঁ, যে কোন ভাষায় করা যাবে। আসলে তাওবা তো মুলত অন্তরের অনুতপ্ত হওয়াকেই বলে।

৩. হ্যাঁ, তার তাওবা কবূল হয়। তবে হাদীস শরীফে আছে হারাম উপার্জনকারীর দুআ কবূল হয় না। তবে হারাম উপার্জনের ব্যাপারে তাওবা করলে হারাম উপার্জন ছেড়ে দিয়ে অতঃপর তাওবা করতে হবে। পাশাপাশি পূর্বের হারাম উপার্জন পরিমাণ সম্পদ ধীরে ধীরে সামর্থ্য অনুযায়ী সদকাহ করতে হবে। নতুবা হারাম উপার্জনের ব্যাপারে তাওবা কবূল হবে না।

এমএফ/

আরও পড়ুন...
দুআ কবুল হচ্ছে না? আপনার জন্যই এই লেখা
ঋণগ্রস্ত হওয়া থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.) যে দুআ করতেন
ব্যবসার আরেক পুঁজি ‘দুআ’

 

ফতোয়া/মাসায়েল: আরও পড়ুন

আরও