বর্ষায় ভেজা পায়ের পাদুকা

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

বর্ষায় ভেজা পায়ের পাদুকা

পরিবর্তন ডেস্ক ২:২৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ০৩, ২০১৯

বর্ষায় ভেজা পায়ের পাদুকা

বর্ষায় ছাতা, রেইনকোট সব গুছিয়ে নেওয়ার পর যদি পায়ের দিকে খেয়াল না দেওয়া হয় তাহলে সব সাজসজ্জা মাটি হয়ে যাবে। এছাড়া কাদা পানিতে একাকার অবস্থা হয়ে যাবে। বর্ষায় নিচু হিলের রাবারের জুতা বেছে নিন। এ মৌসুমে চামড়া বা কাপড়ের জুতা অনুপযোগী। কারণ একবার ভিজলে জুতা তো নষ্ট হবেই, সেই সঙ্গে ভেজা জুতা থেকে ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে। পুঁতি ও জরি বসানো জুতা কাদায় নোংরা হয় তাড়াতাড়ি।

বাজারে এখন রাবার, রেক্সিন ও স্পঞ্জের তৈরি বিভিন্ন ডিজাইনের জুতা এবং স্যান্ডেল পাওয়া যায়। যা পানিতে ভিজলেও নষ্ট হয় না। এছাড়াও আছে বিভিন্ন ধরনের পানিরোধক গামবুট।

স্টাইলিশ বর্ষার জুতা পাবেন এলিফ্যান্ট রোড, ইস্টার্ন প্লাজা, রাপা প্লাজা, রাইফেলস স্কয়ার ও বসুন্ধরা সিটিতে। নিউমার্কেট ও গাউছিয়ার ফুটপাতে মিলবে বর্ষার স্যান্ডেল এবং স্লিপার। পাদুকা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বাটা এনেছে বিভিন্ন ডিজাইনের স্যান্ডেল। গ্যালারি এপেক্সে পাবেন গামবুট।

টিপস:

বর্ষায় চামড়ার জুতা ব্যবহার করবেন না। কাদা-পানিতে একে তো চামড়ার জুতা তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়, আবার ভেজা জুতা বেশিক্ষণ পরা থাকলে সর্দি-কাশিসহ পায়ে চর্মরোগ হতে পারে। যদি পরতেই হয়, তাহলে ওয়াটারপ্রুফ লেদারের জুতা পরুন।

পায়ের মাপ অনুযায়ী জুতা কিনুন। গোড়ালির পেছনে সোল বেরিয়ে থাকলে হাঁটার সময় কাদা-পানির ছিটে কাপড় নোংরা হবে।

নতুন জুতা পরলে অনেক সময় পায়ে ফোসকা পড়ে যায়। তাই একটু ঢিলা জুতা নিন।

পাম্প শু কেনার সময় পায়ের সঙ্গে ঠিকমতো খাপ খায়, এমন মাপেরটি কিনুন। তা না হলে হাঁটার সময় খুলে গিয়ে বিপদ ঘটতে পারে।

কয়েক মাস পায়ে দেওয়ার পর সোলের নিচের অংশ ঘর্ষণের কারণে খসে যায়। এতে স্লিপ করার শঙ্কা থাকে। এ ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।

অফিস অথবা কাজের জায়গায় এক জোড়া অতিরিক্ত জুতা বা স্যান্ডেল রাখুন অনেক কাজে দিবে।

দামি চমড়ার জুতা না পরাই ভালো। কেননা এই বর্ষায় সবচেয়ে ক্ষতি করে চামড়ার।

একের বেশি জুতো অবশ্যই সঙ্গে রাখুন। বর্ষায় প্লাস্টিক বা নন লেদার মেটিরিয়লের জুতো পরুন।

ইসি/

 

ফ্যাশন: আরও পড়ুন

আরও