মাদুর থেকে পোশাক তৈরির ভাবনা

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮ | ৫ শ্রাবণ ১৪২৫

মাদুর থেকে পোশাক তৈরির ভাবনা

পরিবর্তন ডেস্ক ৩:৩৯ অপরাহ্ণ, জুন ২৩, ২০১৮

print
মাদুর থেকে পোশাক তৈরির ভাবনা

এক ঝলক দেখলে মনে হয় মণিপুরের ঐতিহ্যবাহী পোশাক। কিন্তু, এ পোশাকের জন্ম পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ে। পোশাকের বড় বৈশিষ্ট্য হলো, ওই পোশাক তৈরি মাদুর কাঠিতে। পাড়ের বাঁধুনি মজবুত করা ছাড়া পোশাকে আর কোথাও সুতার ব্যবহারই নেই।

সবং ব্লকের বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মুরারিচকের বাসিন্দা বলাই দাস। সত্তরোর্ধ্ব এই মাদুরশিল্পীর সৃষ্টি মাদুরের পোশাক। তার সৃষ্টিসম্ভারে ছেলে এবং মেয়ে, উভয়ের জন্যই পোশাক রয়েছে।

মেয়েদের জন্য শাড়ি, ব্লাউজ, ঘাঘরা তৈরি করেছেন। আর ছেলেদের জন্য তৈরি করেছেন মাদুরের জামা, পাঞ্জাবি, টুপি। এর সঙ্গে রয়েছে বিভিন্ন গয়না। কানের দুল, গলার হার, মাথার ফুল।

উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ছাড়া এ কাজ করা সম্ভব নয়। স্টাইল সচেতন নতুন প্রজন্ম তো নতুন ফ্যাশনের এই পোশাক লুফে নেবেন। বাণিজ্যিকভাবেও বাজারে আনার কথা ভাবা হচ্ছে।

এলাকার মাদুর শিল্পীরা তো আগ্রহ দেখিয়েছেন। বাজারে আনার আগের নিজের পণ্য আরও নিখুঁত করতে চান। নিজের গোষ্ঠীর কয়েকজনকেই শিখিয়েছেন মাদুরের পোশাক তৈরির কৌশল।

বলাইবাবু বলেছেন, এই পোশাক তৈরির বিষয়টি নিয়ে আমার এখনো কাজ চলছে। আমি চাইছি আর কয়েকদিন আমাদের সম্প্রদায় আগে প্রচার পাক। তারপরে এই পোশাকের বিপণন এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করব।

অন্যভাবেও প্রচার করা হয়েছিল মাদুরের পোশাকের। সর্বপ্রথম ২০১৬ সালের সবলা মেলায় মাদুরের পোশাক পরে নাচগান করা হয়। তবে তেমন প্রচারের আলোয় আসেনি। তবে ২০১৭ সালে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের স্বীকৃতি মিলেছে।

‘বলাই দাসের ভাটিয়ালি লোকসঙ্গীত ও মাদুর কথা সম্প্রদায়’ নামে বইটি তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরে নথিভুক্ত হয়েছে।

ইসি

 
.



আলোচিত সংবাদ