জেনে নিন দাড়ি কাটার সঠিক পদ্ধতি

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮ | ২ শ্রাবণ ১৪২৫

জেনে নিন দাড়ি কাটার সঠিক পদ্ধতি

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:০৭ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১২, ২০১৮

print
জেনে নিন দাড়ি কাটার সঠিক পদ্ধতি

অনেকে আছে যারা তাদের অফিসের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি দিন দাঁড়ি কাটেন। আবার অনেকে নিজের পছন্দের জন্য দাড়ি কাটেন। কেউ আবার একটু ফ্যাশন করারা জন্য তাদের দাড়ি একটু কেটে ছেঁটে রাখেন। কিন্তু অনেকেই এটা জানেন না যে দাড়ি কাটারও আছে সঠিক নিয়ম। নয় তো নষ্ট হয়ে যেতে পারেন আপনার দাড়ির ধরন এবং আপনার ত্বক। তাই আসুন আজ জেনে নেই দাড়ি কাঁটার সঠিক নিয়ম।

দাড়ি কামানোর আগে প্রথম কাজ হলো মুখ ধুয়ে নেয়া। বাজারে ফেস ওয়াশিং নামে অনেক কিছুই পাওয়া যায় যা মুখে জমা ময়লা, ঘাম ইত্যাদি দূর করতে সক্ষম। আগে যদি ময়লা দূর করা না হয়, তাহলে তা মসৃণ দাড়ি কামানোয় যেমন সমস্যা তৈরি করে, তেমনি কাটা-ছেঁড়ার বিপদও বাড়িয়ে দেয়। 

তারপর কুসুম গরম পানিতে দাড়ির অংশের মুখ ধুয়ে নিন। এতে চামড়া নরম হয় এবং দাড়ি কামানোর উপযুক্ত অবস্থায় আসে। 

বাজারে প্রি শেভিং অয়েল নামে একটা অয়েল পাওয়া যায়। এ তেল দাড়ি নরম করে এবং রেজর ব্যবহারের জন্য মুখের চামড়াকে উপযুক্ত করে। ফলে মুখের বিচিত্র সব স্থানে গজিয়ে ওঠা দাড়িকেও রেজরের নাগালে আনা সম্ভব হয়। সেভ করার আগে এই অয়েল দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করে নিন। 

বাজারে এখন অনেক ব্লেডের রেজর পাওয়া যায়। চার বা ছয় ব্লেডযুক্ত রেজর ব্যবহারের দিকেও ঝুঁকছেন অনেকেই। তবে তিন ব্লেডযুক্ত রেজরই উত্কৃষ্ট ভালোভাবে দাড়ি কামানোর জন্য এর চেয়ে বেশি ব্লেডের প্রয়োজন নেই, বরং তা ত্বকের ক্ষতিও করতে পারে। 

আর যাদের চামড়া নরম, মুখে এলোমেলো দাড়ি গজায়, তাদের জন্য দুই ব্লেডের রেজরই যথেষ্ট। 

ফোম অথবা জেল হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে নিন। এরপর সেই জেল বা ফোম আঙুলে নিয়ে বৃত্তের নিয়মে মুখে মাখুন। 

এতে মুখের ক্ষুদ্র ও লুকানো দাড়িতেও জেল পৌঁছে যাবে। যদি সম্ভব হয় তাহলে নরম কোনো ব্রাশ দিয়ে জেল বা ফোম ঘষে মুখে লাগান, যেন মুখে একটি পুরু ফেনার আস্তর তৈরি হয়। এতে দাড়ি হবে অধিক নরম। এভাবে মিনিট দুই রাখার পর রেজর ব্যবহার করুন। 

কিছু টিপস:

রেজর সবসময় পরিষ্কার রাখুন।

বেশি দিনের পুরনো রেজর ব্যবহার অবশ্যই করবেন না।

উল্টো দিক থেকে কখনোই দাড়ি কামাবেন না।

অন্যের ব্যবহার করা রেজর ব্যবহার করবেন না।

সেভের পর রেজর শুকিয়ে রাখুন।

দাড়ি কাটার পর ভালো মানের আফটার শেভ ব্যবহার করুন।

যদি আপনার ত্বক তৈলাক্ত হয় তাহলে আফটার সেভ বাম অথবা যেন ব্যবহার করুন।

আর শুষ্ক হলে আফটার সেভ লোশন ব্যবহার করুন। 

ইসি/ 

 
.



আলোচিত সংবাদ