ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েলের ভালো-মন্দ

ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৪ আশ্বিন ১৪২৫

ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েলের ভালো-মন্দ

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৩, ২০১৮

ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েলের ভালো-মন্দ

রূপচর্চার উপকরণ হিসেবে অলিভ অয়েল সর্বগুণান্বিত এমনটি আর বলা যাবে না। কারণ, এটি নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণ হতে পারে। তৈলাক্ত ত্বক হলে ঝামেলা হতে পারে প্রথম ব্যবহারেই। কারণ, অলিভ অয়েল খুব ভারী। চট করে ত্বকে শুষে যায় না। এর উপর ঘাম–ময়লা ইত্যাদি বসে রোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে গিয়ে সমস্যার সূত্রপাত হয়।

তাছাড়া অ্যালার্জির ধাত থাকলে এই তেল মাখলে কন্ট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস, একজিমা, অ্যালার্জিজনিত কাশি–শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি হতে পারে। ত্বক লাল হয়ে যেতে পারে। র‌্যাশ বেরিয়ে হতে পারে চুলকানি।

তৈলাক্ত ত্বকে সমস্যা বেশি হয়। নবজাতকদের অনেক সময় এই জাতীয় সমস্যা বেশি হয়। সেক্ষেত্রে নারকেল তেল বা এক্সট্রা ভার্জিন তেল লাগানো যেতে পারে। ওলেয়িক অ্যাসিড থাকার কারণে এই তেল শুষ্ক ত্বকের জন্যও খুব উপযোগী নয়। ব্ল্যাক হেডের সমস্যা থাকলে এই তেল মুখে মাখবেন না৷ সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

অলিভ অয়েল যত্ন:

ঘরের সবচেয়ে অন্ধকার ও ঠাণ্ডা কোণটি হলো এক্সট্রা ভার্জিন ও ভার্জিন অলিভ অয়েলের জায়গা। ফ্রিজেও রাখা যেতে পারে। কারণ, আলো, তাপ, বাতাস সবের প্রভাবেই সে ঝট করে খারাপ হয়ে যায়। সেজন্য ছোট বোতল কেনা ভালো।

কেনার আগে ‘ইউজড বাই’ ও ‘বেস্ট বাই’– এর তারিখগুলো দেখে নিতে ভুলবেন না। ব্যবহার করে ফেলবেন সেই সময়সীমার মধ্যেই।

প্রতিবার ব্যবহারের পর সিল ভালো করে বন্ধ করতে হবে। সিল খোলার পর অধিকাংশ অলিভ অয়েল এক–দু’বছর ঠিক থাকে। কিন্তু, যদি দেখেন স্বাদ, গন্ধ ও স্বচ্ছতায় পরিবর্তন এসেছে, সে তেল আর না খাওয়াই ভালো।

তবে ছিপির কাছে খারাপ গন্ধ কিন্তু ভিতরে তেলের গন্ধ ঠিক থাকলে, তা খুব তাড়াতাড়ি ব্যবহার করে ফেললে ক্ষতি নেই। এমনকি রূপচর্চায় যে তেল ব্যবহার করবেন, তার ক্ষেত্রেও এই নিয়ম মেনে চলা ভালো।

তেল কেমন হবে তা নির্ভর করে কী ধরনের অলিভ ব্যবহার করা হচ্ছে, কোন দেশে, কোন সময় ও কী ধরনের মাটিতে ও কী পদ্ধতিতে তার চাষ হয়েছে, অলিভ কতটা পেকেছে, চাষ হওয়ার কতদিন পর তা থেকে তেল বার করা হচ্ছে, কী পদ্ধতিতে বার করা হচ্ছে, সে তেল কিভাবে প্যাকেটজাত ও স্টোর করা হচ্ছে ইত্যাদি সব কিছুর উপর।

ইন্টারন্যাশনাল অলিভ অয়েল কাউন্সিল তেলের গুণমান বিচার করে। আমেরিকাতে বিচার করে ইউএস ডিপার্টমন্ট অব এগ্রিকালচার তেলের গ্রেড ঠিক করে।

তিন গ্রেডের তেল হয় মূলত, এক্সট্রা ভার্জিন, ভার্জিন ও অলিভ অয়েল। এক্সট্রা ভার্জিনে আবার দু’টি সাবটাইপ আছে, প্রিমিয়াম এক্সট্রা ভার্জিন ও এক্সট্রা ভার্জিন। এই তেল বানানো হয় পুরোপুরি যান্ত্রিক উপায়ে পিষে। রাসায়নিক বা তাপ দেয়া হয় না বলে এর মধ্যে উপকারি উপাদানের এক কণাও নষ্ট হয় না।

ইসি