‘জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি’

ঢাকা, বুধবার, ২২ জানুয়ারি ২০২০ | ৯ মাঘ ১৪২৬

‘জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি’

পরিবর্তন ডেস্ক ৫:৫৪ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৪, ২০১৯

‘জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি’

২১ শতকে জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি, এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ সতর্কবার্তা উচ্চারণ করা হয়েছে। বুধবার তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি এ খবর জানিয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ুজনিত ক্ষতিকর প্রভাব, সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব এবং অপুষ্টির প্রভাব থেকে মানুষকে রক্ষায় স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে যুক্ত পেশাজীবীদের দায়িত্ব রয়েছে। এর পাশাপাশি ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং পরিবেশ দূষণজনিত অন্যান্য অসংক্রামিত রোগের চিকিৎসায়ও তাদের দায়িত্ব রয়েছে।

এই প্রতিবেদন তৈরির উদ্দেশ্য ছিল, স্বাস্থ্যের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো। এতে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের একটি শক্তিশালী ও কার্যকর জলবায়ু চুক্তির দাবিতে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।

এদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গত এক দশকে বিশ্বের নানা প্রান্তে দুই কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে জানিয়েছে দারিদ্র্যবিরোধী দাতব্য সংস্থা অক্সফাম। সংস্থাটির সর্বশেষ গবেষণায় এই পরিসংখ্যান উঠে এসেছে।

গবেষকরা বলছেন, বেশিরভাগ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও দাবানলের কারণে। গত মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ফনির কারণে বাংলাদেশ ও ভারতে ৩৫ লাখ মানুষ ঘর-বাড়ি হারিয়েছে।

জাতিসংঘের উদ্যোগে স্পেনের মাদ্রিদে কপ-২৫ লিডার্স সামিট শুরুর আগে অক্সফাম তাদের গবেষণা প্রতিবেদন হাজির করেছে। এতে ২০০৮ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতির শিকার হওয়া মানুষের কথা উঠে এসেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যুদ্ধে যে পরিমাণ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়, তার তিন গুণেরও বেশি মানুষ ভিটেমাটি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে বন্যা ও দাবানলে।

অক্সফামের জলবায়ুবিষয়ক পলিসির শীর্ষ ব্যক্তি টিম গোরে বলেন, কিউবা, ডমিনিকা, টুভালুর মতো দ্বীপরাষ্ট্রগুলো গড়ে প্রতি বছর তাদের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫ শতাংশকে বাস্তুচ্যুত হিসেবে দেখতে পেয়েছে। অর্থাৎ তাদের বাড়ির বাইরে থাকতে হয়েছে।

টিম গোরে বলেছেন, ‘বিশ্ব উষ্ণ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন থেকে আমরা এ ব্যাপারে সতর্ক করেছি। এখন আমরা নিজের চোখেই দেখছি কতোটা ভয়াবহভাবে দুর্যোগ হানা দিচ্ছে। এসব বিপর্যয় বহু দরিদ্র দেশকে এমন এক অবস্থানে নিয়ে যায় যে, ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আগেই আরেকটি বিপর্যয় তাদের আঘাত করে।’

এমএফ/

 

ইউরোপ: আরও পড়ুন

আরও