পিতৃত্বের দাবি মামলায় আদালতে ডিএনএ জমা বেলজিয়ামের সাবেক রাজার

ঢাকা, ২৭ জুলাই, ২০১৯ | 2 0 1

পিতৃত্বের দাবি মামলায় আদালতে ডিএনএ জমা বেলজিয়ামের সাবেক রাজার

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:৩৩ অপরাহ্ণ, মে ২৯, ২০১৯

পিতৃত্বের দাবি মামলায় আদালতে ডিএনএ জমা বেলজিয়ামের সাবেক রাজার

পিতৃত্বের দাবি নিয়ে জটিলতায় বেলজিয়ামের সাবেক রাজা দ্বিতীয় আলবার্ট তার ডিএনএ নমুনা আদালতে জমা দিয়েছেন।

যদি ডিএনএ নমুনা জমা না দিতেন তাহলে তাকে প্রতিদিন পাঁচ হাজার ইউরো জরিমানা গুনতে হতো বলে বুধবার জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।

৮৪ বছর বয়সী সাবেক এই রাজা গত এক দশকেরও বেশি সময় যাবত পিতৃত্বের বিষয়টি নিয়ে আইনগত লড়াই করছেন।

বেলজিয়ামের ৫১ বছর বয়সী শিল্পী ডেলফাইন বোয়েল দাবি করেন যে তার ‘বাবা হচ্ছেন বেলজিয়ামের সাবেক রাজা দ্বিতীয় আলবার্ট’।

কিন্তু দ্বিতীয় আলবার্ট সে দাবি খারিজ করে দিচ্ছেন। ১৯৯৩ সালে থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন দ্বিতীয় আলবার্ট।

এই বছরের শেষের দিকে এ পিতৃত্বের দাবির বিষয়ে আদালতের রায় হতে পারে।

ব্রাসেলসের একটি আদালত গত ফেব্রুয়ারি মাসে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে তিনমাসের মধ্যে সাবেক এই রাজাকে ডিএনএ নমুনা জমা দিতে হবে। অন্যথায় শিল্পী বোয়েলের বাবা হিসেবে তিনি গণ্য হবেন।

১৯৯৯ সালে রাজা দ্বিতীয় আলবার্টের স্ত্রী সম্পর্কে একটি জীবনীতে বেরিয়ে আসে যে রাজার একটি অবৈধ সন্তান আছে।

বিষয়টি নিয়ে বেলজিয়ামের গণমাধ্যমে নানা ধরনের গল্প ছড়িয়ে পড়ে। ২০০৫ সালে বোয়েল এক সাক্ষাৎকারে বলেন যে রাজা দ্বিতীয় আলবার্ট তার বাবা।

বোয়েলের মা দাবি করেন, ১৯৬৬ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত আলবার্টের সাথে তার প্রণয় ছিল। আলবার্ট তখন ছিলেন যুবরাজ।

১৯৯৩ সালে আলবার্টের বড় ভাই যখন ৬২ বছর বয়সে মারা যাযন, তখন তিনি অপ্রত্যাশিতভাবে সিংহাসনের দায়িত্ব নেন।

খারাপ স্বাস্থ্যের কথা উল্লেখ করে ২০১৩ সালের জুলাই মাসে দায়িত্ব ছেড়ে দেন রাজা দ্বিতীয় আলবার্ট।

এরপর বোয়েল তার পিতৃত্বের দাবি নিয়ে আদালতে যান। কারণ রাজা থাকা অবস্থায় যেকোনো ধরনের মামলা থেকে তার দায়মুক্তি রয়েছে।

২০১৮ সালে আদালত নির্দেশ দেন, আলবার্টকে ডিএনএ নমুনা জামা দিতে হবে। কিন্তু সাবেক রাজা আদালতের এই নির্দেশ মানেন নি। বেলজিয়ামের সংবিধানে রাজতন্ত্র থাকলেও সেখানে রাজার ভূমিকা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

১৯৫৯ সালে আলবার্ট বিয়ে করেন এক ইটালিয়ানকে। তাদের দুই মেয়ে এবং এক ছেলে সন্তান রয়েছে।

এমআর/এইচআর

 

ইউরোপ: আরও পড়ুন

আরও