আরপিও’র ৩৪ জায়গায় ইসির হাত, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞা অপরিবর্তিত

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮ | ১ ভাদ্র ১৪২৫

আরপিও’র ৩৪ জায়গায় ইসির হাত, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞা অপরিবর্তিত

মো. হুমায়ূন কবীর ১১:৫৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৯, ২০১৮

print
আরপিও’র ৩৪ জায়গায় ইসির হাত, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞা অপরিবর্তিত

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের কাজে হাত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন পর্যন্ত আরপিও’র খসড়া সংশোধনীতে ৩৪টি ধারায় কমবেশি সংশোধন করা হচ্ছে। তবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় কোনো পরিবর্তন আসছে না।

রোববার আইন সংস্কার কমিটির এক সভায় আরপিওর খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে এ কমিটি আরেকটি সভা করে এটি চূড়ান্ত করবে বলে  ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতি এবং ভোটকক্ষ থেকে বের হওয়া ও ফিরে আসার পর নির্দিষ্ট ফরমে স্বাক্ষর করার বিধান প্রবর্তন রাখা; নির্বাচন কাজে নিয়োজিত ১০ লাখের বেশি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আগাম ভোটগ্রহণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা; ইভিএম এ ভোটগ্রহণ; নির্বাচনে কাজে নিয়োজিতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলির ক্ষমতা; অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা; স্বতন্ত্র প্রার্থিতা সহজ করার লক্ষ্যে ১ শতাংশ ভোটারের পরিবর্তে ১০০০ ভোটারের স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা দেয়া; নির্বাচন কর্মকর্তাদের সাজা বাড়িয়ে সর্বনিম্ন এক বছরের পরিবর্তে তিন বছর এবং সর্বোচ্চ ৫ বছরের পরিবর্তে ৭ বছর করার বিধান যোগ করা; নির্বাচনী অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করে অভিযোগকারীকে জানিয়ে দেয়া; জামানত ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা, নির্বাচনী অনিয়ম ও আচরণবিধি লঙ্ঘন সম্পর্কে খোঁজ নিতে তৃতীয় চোখ নিয়োগ রাখার বিধান যুক্তেরও প্রস্তাব করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে আইন সংস্কার কমিটির প্রধান ও নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, আরপিও সংশোধনের খসড়া মোটামুটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। শুধু আগাম ভোটিং ও নির্বাচনী তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা- এদুটি বিষয়ে নতুন কিছু করা যায় কিনা সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের খসড়ার কাজ প্রায় শেষ। কমিশনের আগামী সভায় না হলেও তার পরবর্তী সভায় এটি অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।

এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞা আগের মতই থাকছে বলেও জানান এই কমিশনার।

রোডম্যাপে আইন ও বিধিমালা সংস্কার কমিটিকে ডিসেম্বরের মধ্যে আইন সংস্কারের প্রাসঙ্গিক খসড়া তৈরি ও ফেব্রুয়ারির মধ্যে আইন প্রণয়নের ব্যবস্থা নেয়ার সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছিল। সে অনুযায়ী কাজ করতে না পারলেও আইন পাশের জন্য এখনও পর্যাপ্ত সময় রয়েছে বলে মনে করছে কমিটি।

এইচকে/এমএসআই

 
.


আলোচিত সংবাদ