হার্ভার্ডের পরীক্ষায় ১৭০ নম্বরে ১৭১ পেলেন ভারতীয় ছাত্র

ঢাকা, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯ | ১০ চৈত্র ১৪২৫

হার্ভার্ডের পরীক্ষায় ১৭০ নম্বরে ১৭১ পেলেন ভারতীয় ছাত্র

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:৩০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ০১, ২০১৯

হার্ভার্ডের পরীক্ষায় ১৭০ নম্বরে ১৭১ পেলেন ভারতীয় ছাত্র

‘পরীক্ষায় ১০-এ ১০ পাওয়াটা বড় কথা নয়। সব সময় চেষ্টা করবে ১০-এর মধ্যে ১১ পাওয়ার জন্য। যখন আমি স্কুলে ছিলাম, তখন আমার বাবা আমাকে সব সময় একথা বলতেন।’

ফেসবুক ওয়ালে একটি ছবি শেয়ার করে তার উপরে লিখেছেন অঙ্কুর গর্গ নামের এক ভারতীয় ছাত্র।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানায়, বাবার কথা সত্য প্রমাণ করে দেখালেন ম্যাক্রোইকোনমিক্স পড়ুয়া অঙ্কুর গর্গ। তাও যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায়! মোট ১৭০ নম্বরের পরীক্ষায় ১৭১ নম্বর পেয়েছেন তিনি।

অঙ্কুর তার স্কোর কার্ডের যে ছবিটি শেয়ার করেছেন তাতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ওই কার্ডে স্বাক্ষর করেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ জেফ্রি ফ্রাঙ্কেল।

আইআইটির প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং ২০০২ সালের ব্যাচের আইএএস কর্মকর্তা অঙ্কুর গর্গ প্রমাণ করেছেন বাবার কথা আকাশকুসুম নয় বরং জীবনের সেরা প্রাপ্তি।

এই সাফল্যের কৃতিত্ব বাবাকে উৎসর্গ করে ২২ ডিসেম্বরে তার ফেসবুক পোস্টে অঙ্কুর গর্গ লিখেছিলেন, ‘আজ জীবনে ছাত্রদশার শেষ পর্যায়ে ম্যাক্রোইকোনমিক্স কোর্সের চূড়ান্ত পরীক্ষায় আমি এই (১৭০-এর মধ্যে ১৭১) নম্বরটি পেয়েছি। আরও বড় বিষয় হলো হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং জেফ্রি ফ্রাঙ্কেল নিজে সই করেছেন রিপোর্ট কার্ডে!’

বিশিষ্ট এবং নেতৃস্থানীয় ম্যাক্রো অর্থনীতিবিদ জেফ্রি ফ্রাঙ্কেল হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির কেনেডি স্কুল অফ গভর্নমেন্টের ক্যাপিটাল ফরমেশন অ্যান্ড গ্রোথের জেমস ডব্লিউ হার্পেল প্রফেসরও।

ফেসবুকে অঙ্কুর গর্গ যে ছবিটি শেয়ার করেছেন, তাতে সহজেই দেখা যাচ্ছে পৃষ্ঠার একেবারে বাম কোণে ‘১০১%’ লেখা রয়েছে। অঙ্কুরের প্রাপ্ত নম্বরগুলোও সেখানে রয়েছে।

এই পরীক্ষাটি ‘আন্তর্জাতিক উন্নয়ন’ প্রোগ্রামের অংশ ছিল এবং অঙ্কুর বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিষয়েই অধ্যয়ন করছেন।

অঙ্কুর গর্গ অবশ্য বিশেষ কৃতিত্বের জন্য এর আগেও খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন। দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান আইআইটি দিল্লি থেকে পাস করেন তিনি। ২২ বছর বয়সে তিনি আইএএস পরীক্ষায় শীর্ষস্থান অধিকার করেন। আইএএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সবচেয়ে কম বয়সীদের মধ্যে তিনি অন্যতম।

এমআর/এইচআর