ফাহমি-মিথিলার ছবি নিয়ে যা বললেন তারকারা

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

ফাহমি-মিথিলার ছবি নিয়ে যা বললেন তারকারা

পরিবর্তন ডেস্ক ৪:২৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০৫, ২০১৯

ফাহমি-মিথিলার ছবি নিয়ে যা বললেন তারকারা

নির্মাতা ইফতেখার আহমেদ ফাহমির সঙ্গে অভিনেত্রী মিথিলার বেশ কটি অন্তরঙ্গ ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। যা খুব অল্প সময়ের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। এটি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অধিকাংশ মানুষ মিথিলা-ফাহমিকে নিয়ে ট্রল করছে।

২০০৬ সালের ৩ আগস্ট ভালোবেসে সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসানকে বিয়ে করেন মিথিলা। তাদের সংসারে এক কন্যাও রয়েছে। তবে দু’জনের বনিবনা না হওয়ায় ২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে বিচ্ছেদে যান তাহসান-মিথিলা।

তাহসানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর গায়ক ও অভিনেতা জন কবিরের সঙ্গে মিথিলার প্রেমের খবর সামনে আসে। সে গুঞ্জনের রঙ ফিকে না হতেই কলকাতার নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির সাথে মিথিলার ঘনিষ্ঠ কিছু ছবি সামনে আসে।

জানা যায়, সৃজিতের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি। শিগগিরই সৃজিত-মিথিলার বিয়ে হবে বলেও রব ওঠে।

এর আগেই গতকাল (৪ নভেম্বর) ভাইরাল হয়েছে মিথিলা ও নির্মাতা ইফতেখার আহমেদ ফাহমির আপত্তিকর কিছু ছবি। এখন সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল তাদের এই ছবি নিয়ে। অনেকে এই ছবিগুলো শেয়ার করছেন। বাজে কমেন্ট করছেন ছবির নিচে। এই সময় অনেক তারকারাও দাঁড়িয়েছেন মিথিলা-ফাহমির পাশে। নানা সচেতনতামূলক স্ট্যাটাস দিচ্ছেন কেউ কেউ।

জনপ্রিয় নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘যে দেশে ভালোবাসা খারাপ, হস্তমৈথুনে পুরুষত্ব। সে দেশে সাংবাদিকতা খুব স্বাভাবিক বিচারে এরকম হবে। শক্ত হও প্রিয় বোন, শক্ত হও প্রিয় বন্ধু। তোমরা কোনো ভুল করোনি।’

তরুণ নাট্য নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ্ লিখেছেন, ‘ফেসবুকে কিছু শেয়ার করার আগে যৌন হয়রানি ও সাইবার আইন সম্পর্কে সতর্ক হোন। দয়া করে এটা মাথায় রাখুন যে, বিষয়টি আপনার বাবা-মা ও শিশুদের উপর কেমন প্রভাব ফেলবে। আপনার পরিবারেও এমন ঘটনা ঘটতে পারে। কারো ব্যক্তিগত ছবি চুরি করা ও ছড়িয়ে দেওয়া অপরাধ এবং মর্যাদাহানিকর। দুজন অ্যাডাল্ট ছেলে-মেয়ে কী করবে সেটা আমাদের বিষয় না। প্লিজ এই ধরণের হয়রানির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন।’

‘মিস আয়ারল্যান্ড’ মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ভালোবেসে প্রেমিককে চুমু খেয়েছি, প্রেমিকের বুকে মাথা রেখে প্রাণ জুড়িয়েছি, তাতে কার বাপের কী, মায়ের কী বা চৌদ্দগুষ্টির কী? কেউ পাবলিক ফিগার বা জনপ্রিয় হলে তার ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো বা ভালোবাসার অধিকার কি উধাও হয়ে যেতে হবে? উনাকে আপনাদের কাস্টোমাইজড অনুযায়ী ফাংশনাল অমানব/রোবট হয়ে যেতে হবে? যেন আপনারা সবাই ধোয়া তুলশী পাতা! আদরে, ভালোবাসায় আবিষ্ট থাকতে সবাই চায়, সবাই ভালোবাসে। বোঝা গেল? বুঝলে বুঝ পাতা, আর না বুঝলে…।’

লাক্স তারকা তানিন তানহা লিখেছেন, ‘এত এত ঝামেলা হচ্ছে বাংলাদেশে, আর মানুষ এমন ফালতু একটা বিষয় নিয়ে পড়ে আছে। ওদের ভালোবাসা ওরা যা মন চায় করুক। আইডি হ্যাক হয়েছে এজন্য ছবিগুলো দিয়ে মজা নেওয়ার কি আছে। আপনার কি কখনো এমন কোনো কিছু করেন নাই? আপনাদের জীবনে এমন কোনো সিচুয়েশন আসে নাই। এমন যদি আপনাদের সাথে হতো? লজ্জা লজ্জা! নিজেকে নিয়ে ভাবেন। আমার তো লজ্জা লাগছে আমার কাছের ভাইগুলোও এমন মজা নিচ্ছে। প্লিজ এগুলো বন্ধ করেন।’

মডেল-অভিনেত্রী কাজল সুবর্ণ লিখেছেন, ‘মেয়েটার একটা বাচ্চা আছে। সে কারো মা। সে কারো সন্তান। কারো বোন। কেউ তো আর ইচ্ছে করে এমন কিছু করে না। আপনারা কি তাকে বাঁচতে দিবেন না? একই ভুল যদি আপনার পরিবারের কেউ করে? তখন কি তাকেও এইভাবে ভাইরাল করবেন?’

অভিনেতা পাভেল ইসলাম লিখেছেন, ‘মিথিলা নামে আপনার একটা বোন আছে, যে একজন শিক্ষিকা, যার একটি ছোট কন্যা সন্তান আছে, সম্প্রতি তার ডিভোর্স হয়েছে। পরবর্তীকালে তার কারো সাথে একটি সম্পর্ক হয়েছে, হোক তা বৈধ বা অবৈধ; আপনি কি পারতেন আপনার বোনের সেইসব গোপন ছবি ভাইরাল করতে? এগুলো করে না আপনার সম্মান বাড়ে, না সমাজের, না দেশের! কী লাভ বলেন! আপনি আজ মরলে কাল দুইদিন! মাথা মোটা হইয়েন না।’

ওএস/জেডএস

 

ঢালিউড: আরও পড়ুন

আরও