এই খালে একসময় চলত মালবাহী জাহাজ (ভিডিও)

ঢাকা, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৯ | ২৪ কার্তিক ১৪২৬

এই খালে একসময় চলত মালবাহী জাহাজ (ভিডিও)

আসাদ লিমন, মানিকগঞ্জ ২:৪২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০১৯

এক সময় বড় বড় স্টিমার ও মালবাহী নৌকা চললেও কালের বিবর্তন এখন আবর্জনার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে মানিকগঞ্জ শহরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত একমাত্র খালটি। পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা, দায়িত্বহীনতা ও ত্রুটিপূর্ণ পরিকল্পনায় খালটি ড্রেনে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

মানিকগঞ্জ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, খালটি পশ্চিম বান্দুটিয়া থেকে শুরু হয়ে সোনাকান্দর এলাকায় গিয়ে শেষ হয়েছে। ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ খালটির দুই প্রান্তই মিলেছে কালীগঙ্গা নদীতে গিয়ে।

দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় এটি পরিণত হয়েছে অভিশাপে। খালের ওয়াকওয়ে দখল করে খাবার হোটেলসহ নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের দোকান। এসব হোটেল ও বাসাবাড়ির ময়লা আবর্জনা প্রতিদিন ফেলা হচ্ছে খালটিতে। এতে করে স্বাস্থ্য ঝুঁকিসহ নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পৌরবাসীদের।

পচা দুর্গন্ধ ও মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পৌরবাসী। পথচারীদের জন্য নির্মিত ওয়াকওয়ে ও বসার বেঞ্চগুলোও সম্পূর্ণ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

এদিকে পাল্লা দিয়ে খালের দুই পাড় দখল করে স্থাপনা গড়ছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

জানা যায়, ২০০৮ সালে শহরের একমাত্র খালটির সংস্কার ও শোভাবর্ধনের কাজ হাতে নেয় মানিকগঞ্জ পৌরসভা। এডিবি, জিওবি ও ওপেকের আর্থিক সহায়তায় ৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে খালটির দু’পাড় সিসি ব্লক ও জিও টেক্স দিয়ে বাধানো হয়। খালের দু’পাড়ে চার ফুট চওড়া ওয়াকওয়ে, সারফেস ড্রেন ও পথচারীদের বসার জন্য নির্মাণ করা হয় বেঞ্চ। কিন্তু নির্মাণের কিছু দিন পর থেকেই সিসি ব্লক ধসে পড়ে খালের মধ্যে।

পরিবেশ কর্মী এ্যাড. দীপক ঘোষ বলেন, যেভাবে খালটি সংস্কার করার কথা ছিল সেভাবে তা করা হয়নি। অবিলম্বে খালটি পুনঃসংস্কার না করলে তা মানিকগঞ্জবাসীর জন্য অনেক দুঃখ কষ্ট বয়ে আনবে।

পৌর মেয়র মুক্তিযোদ্ধা গাজী কামরুল হুদা সেলিম পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, খালটি দখলমুক্ত করে নান্দনিক করা হবে। কেউ যেন এখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলতে না পারেন সে ব্যবস্থাও নেয়া হবে।

এএল/জেডএস

 

ঢাকা: আরও পড়ুন

আরও