গার্মেন্টকর্মীকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

গার্মেন্টকর্মীকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ৯:১২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ০৮, ২০১৯

গার্মেন্টকর্মীকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় এক গার্মেন্টকর্মীকে রাতভর গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার দিনগত রাতে জামপুর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ওই গার্মেন্টকর্মীকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জড়িত অভিযোগে পুলিশ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে এবং দুই আসামি পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছেন তালতলা ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আহসানউল্লাহ।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে ৭ জনকে আসামি করে ওই গার্মেন্টকর্মী বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় মামলা করেছেন।

মামলার এজহারে বাদী উল্লেখ করেন, রূপগঞ্জের রবিন গার্মেন্টে তিনি কর্মরত। সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় গার্মেন্ট ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার জন্য গার্মেন্টের সামনে থেকে গাউছিয়া যাওয়ার জন্য একটি সিএনজি অটোরিকশায় উঠেন। এসময় জাহাঙ্গীর নামের একজন ধর্ষক পেছনের সিটে বসা ছিল। গাউছিয়া যাওয়ার পর ওই গার্মেন্টকর্মী সিএনজি অটোরিকশা থেকে নামতে চাইলে পেছনের সিটে বসা জাহাঙ্গীর তাকে বাধা দেয়। পরে সিএনজি চালককে সিএনজিটি দ্রুত তালতলার দিকে চালিয়ে যেতে বলে। চালক ধর্ষক জাহাঙ্গীরের কথা মতো গাড়িটি চালিয়ে যায়।

এসময় ওই গার্মেন্টকর্মীর মুখে সাদা রঙের স্কচটেপ লাগিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তালতলা এলাকায় হালিম মিয়ার ঘরে নিয়ে আটকে রাখে তাকে। ওই সময় হালিম মিয়া বাড়িতে ছিলেন না। পরে ব্রাহ্মণবাওগাঁ গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে আবু সাইদ, রেহাজউদ্দিনের ছেলে ইমরান, নবি হোসেনের ছেলে রনি, আবু সিদ্দিকের ছেলে আবুল হোসেন, ভট্টু মিয়ার ছেলে মাসুদ, আমির হোসেনের ছেলে আরিফ ও সামসুল হকের ছেলে জাহাঙ্গীর ওই গার্মেন্টকর্মীকে রাতভর পালাক্রমে ধষর্ণ করে।

রাত সাড়ে তিনটার দিকে হালিম মিয়া বাড়িতে এসে এ ঘটনা দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫ ধর্ষককে গ্রেফতার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ধর্ষক আরিফ ও জাহাঙ্গীর পালিয়ে যায়।

পুলিশ অসুস্থ ওই গার্মেন্টকর্মীকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

এইচআর

 

ঢাকা: আরও পড়ুন

আরও