চিকিৎসক মেয়ের ‘স্বামীর অধিকার’ চান মা

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

চিকিৎসক মেয়ের ‘স্বামীর অধিকার’ চান মা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ৭:৪৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯

চিকিৎসক মেয়ের ‘স্বামীর অধিকার’ চান মা

টাঙ্গাইলে চিকিৎসক মেয়ের ‘স্বামীর অধিকার’ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মা বিউটি দাস। শনিবার সকাল ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ডা. প্রিয়াংকা দাসের মা বিউটি দাসের লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২০১৫ সালের ১০ অক্টোবর তার মেয়ে ডা. প্রিয়াংকা দাসের সঙ্গে ঝিনাইদহের মৃত নরেশ চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে ডা. প্রসেনজিৎ বিশ্বাস প্রার্থ (৩২) সাথে বিয়ে হয়। ডা. প্রসেনজিৎ বিশ্বাস প্রার্থ ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার পদে কর্মরত রয়েছেন। বিয়ের সময় ছেলে পক্ষকে ৫ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণ দেয় মেয়ে পক্ষ।

বিয়ের কিছুদিন পর থেকে তার মেয়ের সাথে দেবর অভিজিৎ বিশ্বাস ও শ্বাশুড়ী প্রতিমা সরকার আরও যৌতুকের দাবিতে খারাপ আচরণ এবং শারিরীকবাবে নির্যাতন করতে থাকে। বিষয়টি মেয়ের স্বামী প্রসেনজিৎ বিশ্বাস প্রার্থকে জানালে সে বিষয়টি কর্ণপাত করেনি।

ডা: প্রিয়াঙ্কার মায়ের দাবী, এরই মধ্যে প্রসেনজিৎ বিশ্বাস প্রার্থের সাথে শান্তা বিশ্বাস নামের এক মেয়ের অবৈধ শারিরিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। সে ঝিনাইদহ ব্র্যাক ব্যাংকে কর্মরত।

এরই মধ্যে ডা: প্রিয়াঙ্কা গর্ভবতী হয়। যৌতুক দিতে না পারায় স্বামী ডা: প্রসেনজিৎ ৬ সপ্তাহের গর্ভবতী স্ত্রীকে তার বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। পরে সে এক পুত্র সন্তান জন্ম দেয়। বর্তমানে তার বয়স ৩ বছর। ছেলে সন্তান জন্মের পর বারবার জানানো হলেও প্রজেনজিৎ বিশ্বাস কোন প্রকার পিতার দায়িত্ব পালন করেননি।

ডা: প্রিয়াঙ্কার মা বিউটি দাস বলেন, এ ঘটনায় ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি আমার মেয়ে প্রিয়াংকা দাস বাদি হয়ে স্বামী, দেবর ও শ্বাশুড়িকে আসামী করে যৌতুক নিরোধ আইনের ৪ ধারায় টাঙ্গাইল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করে। গত ২৬ জুলাই প্রসেজিৎ বিশ্বাস প্রার্থ আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে জেলা হাজতে প্রেরণ করেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সে জামিনে বের হয়ে মোবাইল ফোনে আমাদের অকথ্য ভাষায় গালগাল করে। আমি তার সাময়িক বরখাস্তসহ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এএএন/এসএস

 

ঢাকা: আরও পড়ুন

আরও