এক প্যাকেট স্যানিটারি ন্যাপকিনের দাম ৭শ’ টাকা!

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ২ কার্তিক ১৪২৬

এক প্যাকেট স্যানিটারি ন্যাপকিনের দাম ৭শ’ টাকা!

মেহেদী হাসান মাসুদ, রাজবাড়ী ২:৪১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯

এক প্যাকেট স্যানিটারি ন্যাপকিনের দাম ৭শ’ টাকা!

এক প্যাকেট স্যানিটারি ন্যাপকিনের দাম ৭ শত টাকা! ১ প্যাক চা পাতির দাম ৩ হাজার ৬ শত টাকা!

এমএলএম পদ্ধতিতে বিদেশি পণ্য বলে বিক্রি করা হচ্ছে সাধারণ বাজার মূল্যের থেকে অনেক বেশী দামে। পণ্যগুলো বিক্রি করে যে কেউ ঘরে বসেই আয় করতে পারবেন এমন প্রলোভনে এ ফাঁদে পা দিচ্ছেন অনেকেই। প্যাকেটে নেই কোনো বাজার মূল্য। ফলে মানসম্মত ভেবেই কিনছেন ক্রেতারা। তবে প্রতিষ্ঠানটির দাবী এই পণ্য বিদেশি, ফলে এর দাম বেশি।

সাধারণ ক্রেতার চোখে ধরা না পড়লেও প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়েছে রাজবাড়ী জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণের চোখে। এরই মধ্যে যথাযথভাবে মোড়ক ব্যবহার না করার দায়ে প্রতিষ্ঠানটির লক্ষাধিক টাকার মালামাল জব্দ করা হয়েছে।

রাজবাড়ী পাংশা সদর উপজেলায় জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পাংশা সদরের ইনফিনিটি মার্কেটিং লিমিটেড ও পাশের বিসমিল্লাহ ফার্মেসী থেকেও এমন বেশ কিছু পণ্য জব্দ করে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযানে যথাযথভাবে মোড়ক না করার দায়ে ইনফিনিটি মার্কেটিং লিমিটেড এর লক্ষাধিক টাকা মূল্যের Maximen, Sankom I Infinity ‍sanitary napkin জব্দ করা হয়।

তিনি বলেন, ইনফিনিটি মার্কেটিং লিমিটেড এর কোনো পণ্যে যথাযথভাবে মোড়ক ব্যবহার করা হয়নি, যা ভোক্তার অধিকার ক্ষুন্ন হচ্ছে। জব্দকৃত Maximen, Sankom এক ধরনের চা যার প্রতি প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬ শত টাকা, Infinity ‍sanitary napkin এর প্রতিটি প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ৭ শত টাকা। অথচ বাংলাদেশি এই জাতীয় স্যানিটারি ন্যাপকিন ৭০-৮০ টাকায় পাওয়া যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটির মালামাল জব্দ করা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের কাগজপত্র নিয়ে অফিসে না আসলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযানে সহায়তা করেছেন জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ এবং জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর রাজবাড়ী।

এমএইচএম/এএসটি 

 

ঢাকা: আরও পড়ুন

আরও