সাংবাদিক আব্দুল আজিজের দুটি কিডনিই নষ্ট, প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা কামনা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ২ কার্তিক ১৪২৬

সাংবাদিক আব্দুল আজিজের দুটি কিডনিই নষ্ট, প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা কামনা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ৮:৪৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯

সাংবাদিক আব্দুল আজিজের দুটি কিডনিই নষ্ট, প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা কামনা

টাঙ্গাইলের মধুপুর প্রেসক্লাব সভাপতি ও ধনবাড়ী আসিয়া হাসান আলী মহিলা ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল আজিজের দুটি কিডনিই অকেজো হয়ে গেছে। জরুরিভাবে কিডনি প্রতিস্থাপন করা না হলে তাকে বাঁচানো যাবে না।

চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। কিন্তু এতো টাকা জোগাড় করে তার পক্ষে চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না।

তাই তিনি চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ এবং হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করছেন।

জানা যায়, একটার পর একটা সংকটে অসহায় হয়ে পড়েছেন আব্দুল আজিজ। গত বছর ওপেন হার্ট সার্জারির চিকিৎসা নিয়ে দেশে আসেন তিনি। কয়েক মাস যেতে না যেতেই বড় মেয়ের কিডনি জটিলতায় ভারত গিয়ে কিডনি পাল্টিয়ে এনেছেন। দুইবারে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ হয়ে যাওয়ায় তিনি এখন নিঃস্ব ও অসহায় হয়ে পড়েছেন। আর এমন সময় তার দুটো কিডনিই অকেজো হয়ে পড়ায় ভয়ানকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি।

কলকাতার রবীন্দ্র ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের কিডনি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. দীপক শংকর রায় তাকে পরামর্শ দিয়েছেন দ্রুত কিডনি পাল্টানোর।

দৈনিক জনকণ্ঠের মধুপুর প্রতিনিধি  হিসেবে ১৯৯৩-২০০০ সাল পর্যন্ত মধুপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আব্দুল আজিজ। বর্তমানে দৈনিক ভোরের কাগজের মধুপুর প্রতিনিধি এবং মধুপুর প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্বে আছেন। আব্দুল আজিজ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদকও।

সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদ আব্দুল আজিজ মধুপুরের প্রথম কিন্ডারগার্টেন মুকুল একাডেমির অধ্যক্ষের দায়িত্বে থেকে শিশু শিক্ষায় ব্যাপক অবদান রেখেছেন। বাবার নামে পশ্চাৎপদ এলাকায় শিশু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়েও কুড়িয়েছেন সুনাম।

বর্তমানে স্ত্রী, ২ মেয়ে এবং ১ ছেলেকে নিয়ে আব্দুল আজিজের সংসার। এই সমাজ হিতৈষী শিক্ষাবিদ জীবনের এমন সংকটাপন্ন অবস্থায় এসে পৌঁছেছেন।

এ ব্যাপারে আব্দুল আজিজ পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আমি কিডনি সমস্যায় ভুগছিলাম।  পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিগত ২০১৫ সালে আমার কিউনিতে সমস্যা হয়েছে ধরা পড়ে। এরপর আমি বিভিন্নভাবে চিকিৎসা নিতে থাকি। সর্বশেষ চলতি বছরের আগস্টের শেষদিকে ভারতের চিকিৎসকরা জানায়- আমার দুটি কিউনিই নষ্ট হয়ে গেছে। দ্রুতই কিউনি প্রতিস্থাপন করতে হবে। এতে আমার প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা দরকার।

তিনি আরো বলেন, একই সমস্যার জন্য চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাসে ভারতে আমার বড় মেয়ের একটি কিউনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এতে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে। আর এতে এখন আমার চিকিৎসার জন্য এতো টাকা নেই। তাই আমার চিকিৎসার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। একই সাথে হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করছি। 

সাংবাদিক আব্দুল আজিজকে সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম- অগ্রণী ব্যাংক মধুপুর শাখা, টাঙ্গাইল- হিসাব নম্বর- ০২০০০০৪৮৩৬১৪৭। মুঠোফোন ০১৭১২০২৯১৫৬.

এইচআর

 

ঢাকা: আরও পড়ুন

আরও