পোশাক কারখানায় চাকরি দিতে চেয়ে নারীকে গণধর্ষণ

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ২ কার্তিক ১৪২৬

পোশাক কারখানায় চাকরি দিতে চেয়ে নারীকে গণধর্ষণ

সাভার প্রতিনিধি ১০:০৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯

পোশাক কারখানায় চাকরি দিতে চেয়ে নারীকে গণধর্ষণ

ঢাকার ধামরাইয়ে পোশাক কারখানায় চাকরি দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে এক নারীকে (২২) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় শুক্রবার ওই নারী বাদী হয়ে দুজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছে। তবে পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

পুলিশ জানায়, চাপাইনবাবগঞ্জ সদরের ওই নারীর ধামরাইয়ের ইসলামপুরের মোয়াজ্জেম হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া জসিম উদ্দিনের সঙ্গে পরিচয় হয়। জসিম উদ্দিন বালিথা গ্রামে অবস্থিত একেএইচ নামক পোশাক কারখানার শ্রমিক। ওই কারখানায় তাকে চাককি দেয়ার কথা বলে মোবাইল ফোনে ডেকে আনে বালিথা গ্রামে। তাদের মধ্যে কথা হয় চাকরি নিতে হলে ১০ হাজার টাকা ঘুষ লাগবে। ১০ হাজার টাকাসহ গত সোমবার ওই নারী যায় ওই পোশাক কারখানার সামনে।

সেখানে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে থাকে সে। সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে জসিম উদ্দিন তার কাছে আসে। পরে জসিম ঘুষের টাকা পোশাক কারখানার অফিসারের বাসায় গিয়ে দিতে হবে জানিয়ে তাকে জসিমের নিজের ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। ওই বাড়িতে আগে থেকেই নাহিদসহ আরও ৪ জন বসা ছিল।

ওই নারী ঘরে ঢোকামাত্রই জাপটে ধরে মুখ বেঁধে জসিম, নাহিদসহ চারজন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে কে বা কারা সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে রেখে আসে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে সে তার বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে ধামরাই থানায় অভিযোগ দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শুক্রবার মামলাটি নথিভুক্ত করে।

ধর্ষণের শিকার ওই নারী জানান, তার স্বামী বিদেশ যাওয়ার পর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ নেই। পাঁচ বছরের এক ছেলেও রয়েছে তার।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধামরাই থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন ও কমিউনিটি পুলিশিং) মাসুদুর রহমান বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ধর্ষিতাকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এইচআর

 

ঢাকা: আরও পড়ুন

আরও