মাদারীপুরে ইজিবাইক থেকে নামিয়ে ধর্ষণের পর ছাত্রীকে হত্যা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

মাদারীপুরে ইজিবাইক থেকে নামিয়ে ধর্ষণের পর ছাত্রীকে হত্যা

মাদারীপুর প্রতিনিধি ৪:৩৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ২০, ২০১৯

মাদারীপুরে ইজিবাইক থেকে নামিয়ে ধর্ষণের পর ছাত্রীকে হত্যা

মাদারীপুরে ১০ম শ্রেণির মাদ্রাসাছাত্রী দিপ্তী আক্তার হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে র‌্যাব। র‌্যাবের দাবি, দিপ্তীকে ইজিবাইক থেকে নামিয়ে চালক তার বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ শেষে গলা টিপে হত্যা করে। এরপর মরদেহে ইট বেঁধে পুকুরে ফেলে দেয়।

আজ শনিবার সকালে র‍্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্প আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান কমান্ডিং অফিসার (সিও) আতিকা ইসলাম।

এর আগে ভোরে ইজিবাইক চালক সাজ্জাদ হোসেন খানকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

তিনি মাদারীপুর পৌরসভার পূর্ব খাগদী এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

এর আগে ১৯৯২ সালে ৭ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যার মামলায় ১৮ বছর কারাভোগ করেন সাজ্জাদ।

সংবাদ সম্মেলনে আতিকা ইসলাম বলেন, ১১ জুলাই বিকেলে মাদারীপুর শহরের ইটেরপুলে বোনের বাসা থেকে ইজিবাইকে করে দিপ্তী চরমুগরিয়ার দিকে যাচ্ছিল। পূর্ব খাগদী এলাকায় ইজিবাইক চালক সাজ্জাদ দীপ্তিকে একা পেয়ে তার মুখ চেপে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর চেতনানাশক ওষুধ দিয়ে দিপ্তীকে অচেতন করে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে দিপ্তী অসুস্থ হয়ে পড়লে গলা টিপে তাকে হত্যা করেন।

তিনি জানান, পরে দীপ্তির গলায় ইট বেঁধে মরদেহ বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত পুকুরে ডুবিয়ে রাখেন সাজ্জাদ।

তিনি জানান, ১৩ জুলাই নিহতের মরদেহ পুকুরে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরে মরদেহের পরনে পোশাক দেখে দিপ্তীর লাশ শনাক্ত করে তার পরিবার।

১৪ জুলাই দীপ্তির বাবা বাদী হয়ে মাদারীপুর সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পর থেকেই হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও আসামিদের গ্রেফতার করতে সদর থানা-পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব-৮ এর একটি দল তদন্ত শুরু করে।

র‌্যাবের এই কর্মকর্ত জানান, তদন্তের এক পর্যায় ১৮ জুলাই ওই পরিত্যক্ত পুকুর থেকে একটি সিমেন্টের ব্যাগে দীপ্তির ব্যবহৃত পোশাক, বোরকা ও জুতা উদ্ধার করে। এসব আলামতের সূত্র ধরেই সাজ্জাদকে গ্রেফতার করা হয়।

এই ঘটনায় সাজ্জাদ দোষ স্বীকার করেছে বলেও জানিয়েছে র‌্যাব। পরে দুপুরে সাজ্জাদকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

এসবি

 

ঢাকা: আরও পড়ুন

আরও