টাঙ্গাইলে বাঁধ ভেঙে নতুন করে অর্ধশতাধিক গ্রাম প্লাবিত

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০১৯ | 2 0 1

টাঙ্গাইলে বাঁধ ভেঙে নতুন করে অর্ধশতাধিক গ্রাম প্লাবিত

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ১২:৩৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০১৯

টাঙ্গাইলে বাঁধ ভেঙে নতুন করে অর্ধশতাধিক গ্রাম প্লাবিত

টাঙ্গাইলে বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। জেলার ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের টেপিবাড়ি এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণের মূল বাঁধ ভেঙে নতুন করে আরো প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পানিবৃদ্ধি পাওয়ায় ওই বাঁধের উপর দিয়ে পানি প্রবাহ এবং প্রচুর স্রোতের কারণে ওই বাঁধটি ভেঙে যায়।

এ বাঁধের সংস্কারে কাজ করেছেন কর্র্তৃপক্ষ । ইতিমধ্যেই ওই এলাকায় সেনাবাহির একটি টিম গিয়েছেন। তারা বাঁধ সংস্কারে কাজ করবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে টাঙ্গাইলের নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘন্টায় ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে শুক্রবার সকালে বিপদসীমার ৯৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া  ধলেশ্বরী নদীর পানি ১৩০ সে.মি. এবং ঝিনাই নদীর পানি ৭৯ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে, ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের টেপিবাড়ি এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী অখিল কুমার, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

জানা যায়, ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের টেপিবাড়ি এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণের মূল বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় কারণে নতুন করে জেলার কালিহাতী, গোপালপুর, ঘাটাইল এবং সদর উপজেলার এ অংশের নদীতীরবর্তী নতুন নতুন গ্রামগুলো প্লাবিত হচ্ছে। আরো গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিজ্ঞান শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী রেজাউল করিম পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, টঙ্গাইলের যমুনা, পুংলী, ঝিনাই, বংশাই ও ধলেশ্বরীর পানিতে পানি আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৯৯ সে.মি., ধলেশ্বরী নদীর দেলদুয়ার উপজেলার এলাসিন ব্রিজের এখানে বিপদ সীমার ১৩০ সে.মি. এবং ঝিনাই নদীর কালিহাতী উপজেলার যোকারচর এলাকায় বিপদ সীমার ৭৯ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বাকি দুটি নদী পুংলী ও বংশাই নদী বিপদ সীমার নিচে রয়েছে।

বাঁধ সংস্কারের বিষয়ে টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, বাঁধ মেরামতে কাজ করা হচ্ছে।

এএএন/জেডএস/

 

ঢাকা: আরও পড়ুন

আরও