যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপদ সীমার উপরে

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০১৯ | 2 0 1

যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপদ সীমার উপরে

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ৪:৪৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৭, ২০১৯

যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপদ সীমার উপরে

ফাইল ছবি

ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে টাঙ্গাইলে প্রায় সব কয়টি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবারের চেয়ে আজ বুধবার নদীতে আরো বেশি পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এতে করে বুধবার সকালে যমুনা নদীর পানিতে বিপসসীমার ৬৮ সে.মি., ধলেশ্বরী নদীর পানি ৮৯ সে.মি. এবং ঝিনাই নদীর পানি ৪৫ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি বৃদ্ধির কারণে নদী তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন অব্যহত রয়েছে। বিশেষ করে গত কয়েকদিনে যমুনা নদী তীরবতী ভূঞাপুর উপজেলার কয়েকটি গ্রামে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে এবং বেশ কিছু গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে।

এদিকে ভূঞাপুরে বানের পানিতে ডুবে জিহাদ (১) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু জিহাদ ওই গ্রামের বিদ্যুৎ মিঞার ছেলে।

জানা যায়, উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের বিদ্যুৎ মিঞার ঘরে বন্যার পানি প্রবেশ করায় তিনি ও তার স্ত্রী জিনিসপত্র অন্যত্র সরাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এ সময় তাদের অজান্তে এক বছরের শিশু জিহাদ পানিতে ডুবে যায়। পরে বিকাল জিহাদের লাশ ঘরের এক কোনে ভেসে উঠে।

এ ঘটনায় বন্যায় দুর্ভোগের সঙ্গে সন্তান হারিয়ে বিদ্যুৎ ও তার স্ত্রীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিজ্ঞান শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী রেজাউল করিম পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে টাঙ্গাইলের যমুনা, পুংলী, ঝিনাই, বংশাই ও ধলেশ্বরীর পানিতে পানি আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৬৮ সে.মি., ধলেশ্বরী নদীর দেলদুয়ার উপজেলার এলাসিন ব্রিজের এখানে বিপদ সীমার ৮৯ সে.মি. এবং ঝিনাই নদীর কালিহাতী উপজেলার যোকারচর এলাকায় বিপদ সীমার ৪৫ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বাকি দুটি নদী পুংলী ও বংশাই নদী বিপদ সীমার নিচে রয়েছে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা নদীগুলোতে আরো পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর পানি কমলে এসব এলাকায় ভাঙন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নদী ভাঙন কবলিত এলাকাগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভাঙন রোধে আমরা কাজ করছি। তবে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙন রোধে কাজ করা দূরহ হয়ে পড়েছে।

এএএন/জেডএস/

 

ঢাকা: আরও পড়ুন

আরও