টাঙ্গাইলে যমুনায় ভাঙনরোধে নেই উদ্যোগ

ঢাকা, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬

টাঙ্গাইলে যমুনায় ভাঙনরোধে নেই উদ্যোগ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ৪:৪৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০১৯

টাঙ্গাইলে যমুনায় ভাঙনরোধে নেই উদ্যোগ

যমুনা নদীর টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর অংশে দুই সপ্তাহ ধরে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু, ভাঙনরোধে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় হতাশ গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কষ্টাপাড়া, খানুরবাড়ি ও ভালকুটিয়া গ্রামের বাসিন্দারা।

ইতোমধ্যে ভাঙনে গ্রাম তিনটির দুই শতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। স্কুল, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দিরসহ কয়েক শতাধিক ঘরবাড়ি ও সড়ক ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হওয়ায় মানুষ সড়কে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১১ সাল থেকেই যমুনার এই অংশে ভাঙন চলছে। বহুবার স্থানীয়রা অভিযোগ দিলেও টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ড তা রোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

কষ্টাপাড়া গ্রামের সবুর আলী বলেন, ‘ভাঙন আগেই ছিল। কিছুদিন তীব্র আকার নিয়েছে। স্থানীয় এমপিসহ সরকারি কর্মকর্তারা পরিস্থিতি দেখে গেছেন। কিন্তু, এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।’

খানুরবাড়ি গ্রামের ঈমান বেপারী বলেন, ‘ভাঙন চলছে তিন গ্রামের প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকায়। আর পাউবো শুধু ৭৫ মিটার এলাকায় নিম্নমানের জিও ব্যাগ ফেলছে। এতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।’

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে অচিরেই কষ্টাপাড়া, ভালুকুটিয়া ও খানুরবাড়ি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘যমুনার ভাঙনে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের তিনটি গ্রাম বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। তাদের রক্ষা করতে হলে কমপক্ষে ৫০০ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা দরকার।’

তিনি বলেন, ‘বড় কোনো প্রকল্প অনুমোদন হয় না। এজন্য আপাতত ৭৫ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। বাকি অংশে জিও ব্যাগ ফেলানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদন হলে কাজ শুরু করা হবে।’

এএএন/আইএম

 

ঢাকা: আরও পড়ুন

আরও