টাঙ্গাইলে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কোমলমতিদের ক্লাস

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

টাঙ্গাইলে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কোমলমতিদের ক্লাস

আব্দুল্লাহ আল নোমান, টাঙ্গাইল ২:৩১ অপরাহ্ণ, জুন ২৯, ২০১৯

টাঙ্গাইলে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কোমলমতিদের ক্লাস

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে কাগমারী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস চলছে। যে কোনো সময়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এর ফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, কাগমারী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৮১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ে একটি টিনশেড বিল্ডিং ও দুটি পাকা ভবন রয়েছে। এর মধ্যে একটি ৪ কক্ষ বিশিষ্ট পাকা ভবন ২০০১ সালে নির্মিত হলেও ১৪ বছরেই সেটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ২০১৫ সালে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ২৬৩ শিক্ষার্থী রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কাগমারী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও বিকল্প কোনো ভবন না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে সেখানেই ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা।

অন্য একটি পাকা ভবন ও টিনশেড বিল্ডিং রয়েছে, যার একটির অর্ধেক অংশে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ক্লাস কক্ষ এবং বাকি অংশে শিক্ষকরা অফিস হিসেবে ব্যবহার করছেন।

অন্য ভবনের দুটি কক্ষে ক্লাস চলছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বসার জায়গা সঙ্কুলান না হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনেই ক্লাস নিতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষকরা।

ভবনের কলাম থেকে বিম ফেটে গেছে। পলেস্তোরা খসে খসে পড়ছে। ভবনটির উত্তর ও পশ্চিম পাশে ডেবে গেছে।

এ ছাড়া বৃষ্টি হলেই ছাদ দিয়ে চুয়ে চুয়ে পানি পড়ে। ফলে ভবন ভেঙে যে কোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশংঙ্কা রয়েছে। এতে বিদ্যালয় বিমুখ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলআরা আফরোজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বসার জায়গা পর্যাপ্ত না থাকায় বাধ্য হয়ে পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস নিতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও ভবন ভেঙে পড়ার ভয়ে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসছে না। দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। নতুন একটি ভবন নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করা হয়েছে।’

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ পারভীন বলেন, ‘ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার বিষয়টি আমার জানা নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এএএন/আইএম

 

পরিবর্তন বিশেষ: আরও পড়ুন

আরও