ঝিনাই নদীতে শিশু শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

ঝিনাই নদীতে শিশু শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত

আব্দুল্লাহ আল নোমান, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ৪:০৮ অপরাহ্ণ, জুন ১৭, ২০১৯

ঝিনাই নদীতে শিশু শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নবগ্রাম ও নগদাশিমলা ইউনিয়নের জামতৈল গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে ঝিনাই নদী। নদীর পানি বেড়ে গেলে চলাচলের একমাত্র বাঁশের সাঁকোর অনেকটা তলিয়ে যায়। তার পরও ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটি পেরিয়ে রোজ স্কুল যেতে হয় কোমলমতি শিশুদের।

এই দুই গ্রামে বাস করে পাঁচ শতাধিক পরিবার। গ্রামের শত শত শিশু প্রতিদিন নদী পেরিয়ে এভাবেই ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায়।

জানা যায়, দুই গ্রামের উত্তর-পশ্চিম দিয়ে একটি সরু মেঠোপথ বনমালী হয়ে নবগ্রাম মোড়ে গিয়ে ঠেকেছে। কিন্তু সেটি অনেক ঘোরাপেঁচা ও ভাঙাচোরা। বৃষ্টি হলে হাঁটার উপায় থাকে না। এ জন্য গ্রামবাসীর ভরসা এ বাঁশের সাঁকো। 

নদীর পানি বেড়ে গেলে এ সাঁকোর অনেকটা তলিয়ে যায়, তখন বড়রা হাতল ধরে পারাপার হলেও শিশুরা পড়ে বেকায়দায়। শিশুদের অতিকষ্টে সেতু পার হয়ে স্কুলে যেতে হয়। তাদের সাঁকো পেরিয়ে আবার ডুবে যাওয়া ক্ষেতের আইল ধরে পরনের কাপড় ভিজিয়ে কতক্ষণ হেঁটে পাকা সড়কে উঠতে হয়। এভাবেই যুগের পর যুগ ধরে গ্রামের শিশুরা নদী পারাপার ও পড়ালেখা করছে। সাঁকো থেকে পিছলে অনেকবার দুর্ঘটনাও ঘটেছে।

গ্রামের বাসিন্দা আলতাফ হোসেন জানান, প্রতিদিন বহু মানুষ এ সাঁকো পেরিয়ে হাটবাজারে যায়। বৃদ্ধ, শিশু ও অসুস্থদের সাঁকো পেরুতে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাই গ্রামবাসীর একটি সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। নির্বাচন এলেই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। কিন্তু সাড়ে চার দশকে কেউ সেই প্রতিশ্রুতি পূরণে এগিয়ে আসেনি।

এ ব্যাপারে গোপালপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী জাভেদ হোসেন বলেন, এসব দুর্গম জায়গায় সরকারের সেতু নির্মাণের কথা রয়েছে। এলাকাবাসী যোগাযোগ করলে বিষয়টি দেখা হবে।

এএএন/আরপি

 

ঢাকা: আরও পড়ুন

আরও