'কৃষি যন্ত্রপাতিতে ভর্তুকি দেয়া হবে ৪ হাজার কোটি টাকা'

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০১৯ | 2 0 1

'কৃষি যন্ত্রপাতিতে ভর্তুকি দেয়া হবে ৪ হাজার কোটি টাকা'

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ৯:৩৫ অপরাহ্ণ, মে ২৩, ২০১৯

'কৃষি যন্ত্রপাতিতে ভর্তুকি দেয়া হবে ৪ হাজার কোটি টাকা'

কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আমরা যদি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারি তাহলে কৃষকের সমস্যার সমাধান হবে। প্রতিবছরই ৯-১০ হাজার কোটি টাকা রাখা হয় কৃষি প্রণোদনা হিসেবে। এটার পুরোটা ব্যবহার হয় না। ৩-৪ হাজার কোটি টাকা প্রতিবছর সেভ হয়, গত দুই-তিন বছর এটা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন এই ৩-৪ হাজার কোটি টাকা কৃষি যন্ত্রপাতিতে ভর্তুকি বা প্রণোদনা দিবেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, ধানকাটা শ্রমিকের মূল্য যে অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়েছে তা কমিয়ে আনা হবে। ইরিগেশনের সময় ২০ ভাগ বিদ্যুৎতের উপর ভর্তুকি দেয় সরকার। কিন্তু দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায় সেচ মালিকরা জমি চাষ করে থাকে। এটার একটা নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। এর চেয়ে বেশি নিলে তারা কোন প্রণোদনা বা ভর্তুকি পাবে না।

তিনি আরো বলেন, আমরা কোনদিন রপ্তানিতে ছিলাম না, আন্তর্জাতিক বাজারে ঢোকা কঠিন ব্যাপার। সেজন্য একটা প্রণোদনা দিয়ে দেওয়ার চিন্তা করছি। কিন্তু আমরা অপেক্ষা করছি ধান কাটা শেষে তা ঘরে তোলার পর, আমরা বুঝতে পারবো কি পরিমাণ উৎপাদন হয়েছে।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সামনে আবার বর্ষার সময় আমনের মৌসুম শুরু হবে। সেটা বিবেচনায় রয়েছে। আবার এরই মধ্যে রপ্তানির ঘোষণা আসতে পারে। সেই ঘোষণা আসলে বিদেশ থেকে আমদানি বন্ধ ও কেনার প্রতি জোর দিতে পারবো।

মিলাররাও অনেক চাল আমন মৌসুমে কিনে বিক্রি করতে পারেনি। অনেকেই আবার অনেক চাল বিদেশ থেকে আমদানি করেছে। আমদানি করেও কোন সুবিধা করতে পারেনি। সেগুলো তাদের ঘরে রয়েছে। যে চালগুলো বিদেশ থেকে এসেছে বাঁশমতি, জেসমিন। যেগুলো বড় বড় রেস্টুরেন্ট ও বিয়ের অনুষ্ঠানে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আমরা আশা করছি চাল ও ধানের দামের উপরে একটু প্রভাব পড়বে, তবে একটু  সময় লাগবে। অস্বাভাবিকভাবে ধানের দাম কমায় সরকার খুবই চিন্তিত।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সংসদ জোয়াহেরুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের সংসদ একাব্বর হোসেন, টাঙ্গাইল -৫ (সদর) আসনের সংসদ ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোটমনি, টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান ফারুক, পুলিশ সুপার সঞ্চিত কুমার প্রমুখ।

এ সময় বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন উপজেলার মেয়র, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ইউএনওসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন।

পিএসএস

 

ঢাকা: আরও পড়ুন

আরও