বেলুন ফুটাতে নিষেধ করায় নার্সদের ওপর চিকিৎসকদের হামলা

ঢাকা, সোমবার, ২০ মে ২০১৯ | ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

বেলুন ফুটাতে নিষেধ করায় নার্সদের ওপর চিকিৎসকদের হামলা

ফরিদপুর প্রতিনিধি ৬:৫৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৭, ২০১৯

বেলুন ফুটাতে নিষেধ করায় নার্সদের ওপর চিকিৎসকদের হামলা

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকের হাতে হাসপাতালের তিন নার্স মারধরের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে বেলুন ফুটানোকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

নার্সরা জানান, সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে নার্সদের রুম সাজানো হয়েছিল হরেক রকম বেলুন দিয়ে। বেলা ১১টার দিকে সেই বেলুন ফুটো করতে থাকেন হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক সানি। এতে নার্সরা বাধা দিলে তাদের ওপর হামলা চালান কয়েক ইন্টার্ন চিকিৎসক।

এ সময় তারা নার্সদের চুলের মুঠি ধরে দেয়ালের সাথে মাথা ঠুকে দেন। এতে তিন নার্স আহত হন।

আহত তিনজন হলেন—শান্তা, কাকলী খাতুন ও বিথি রানী দাস। তিনজনের মধ্যে দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পরে খবর পেয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা খবর সংগ্রহ করতে গেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা তাদের হাসপাতাল চত্বর থেকে বের করে দেন। ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এ বিষয়ে দায়িত্বরত নার্স প্রধান শান্তা বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসক সানি বেলুন ফুটা করায় উপস্থিত নার্সরা তাকে বাধা দেন। নার্সরা পরে আমাকে খবর দিলে আমি গিয়েও নিষেধ করি এবং বলি আজকে সেবা সপ্তাহ শুরু হলো, আপনার ইচ্ছে হলে পরে ফুটাইয়েন। এই কথার পরেই কয়েক ইন্টার্ন আমাদের ওপর আক্রমণ করে, মারপিট করে। তিনজন নার্স আহত হয়েছেন। দুজন ভর্তি রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসেবা সপ্তাহ ঘোষণা করেছেন, আমরা কেউই কর্মবিরতিতে যাবো না, কিন্তু ওই ইন্টার্ন চিকিৎসকের শাস্তি চাই আমরা।

এই বিষয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক প্রফেসর কামদা প্রসাদ সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সামান্য বিষয় নিয়ে নার্স ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুই পক্ষকে নিয়ে বসে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, এতে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার কোনো ব্যঘাত ঘটছে না।

এমএ