যাত্রার অনুমতি না দেওয়ায় শিক্ষককে কিল-ঘুষি

ঢাকা, বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৫

যাত্রার অনুমতি না দেওয়ায় শিক্ষককে কিল-ঘুষি

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ৬:৪৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯

যাত্রার অনুমতি না দেওয়ায় শিক্ষককে কিল-ঘুষি

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে যাত্রা করার অনুমতি ও দাবি অনুযায়ী চাঁদা না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষককে কিল-ঘুষিসহ লাঞ্ছিত করেছে বখাটেরা। লাঞ্ছিত ওই প্রধান শিক্ষকের নাম আবদুল বাতেন।

সোমবার উপজেলার সিংদাইর সাইদুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা দোষীদের শাস্তি দাবি করেছেন। এ ব্যাপারে নাগরপুর থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

প্রধান শিক্ষক আবদুল বাতেন জানান, গত শনিবার সিংদাইর গ্রামের মোস্তফা, বাচ্চু, সোহেল, মিন্টু, জুয়েলসহ আরও কয়েকজন আমার কাছে এসে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যাত্রা করার অনুমতি এবং এর জন্য চাঁদা দাবি করে।

এ সময় আমি তাদের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যাত্রার অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই বলে জানাই এবং ১০০ টাকা চাঁদা দিই। পরদিন রোববার সন্ধ্যায় তারা আমাকে ফোনে বিদ্যালয়ের বেঞ্চ, রুম ও বিদ্যুতের লাইন দেওয়ার জন্য চাপ দেয়। সে সময় আমি তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।

ঘটনার দিন সোমবার সকালে আমি বিদ্যালয়ে পৌঁছলে তারা আমার ওপর হামলা করে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। এ সময় আমার সহকর্মীরা এগিয়ে এসে আমাকে উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও ভাদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাকু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিদ্যালয়ের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় যাত্রার অনুমতি না দেওয়ায় এলাকার কিছু বখাটে এ রকম ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত মোস্তফা জানান, আমরা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠান করার অনুমতি চাইতে গেলে তিনি আমাদের তা না দিয়ে অফিস থেকে তাড়িয়ে দেন। অনুষ্ঠানের পরদিন এলাকার ছেলেপেলে অনুমতি না দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।

এ ব্যাপারে নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলম চাঁদ জানান, বিষয়টি নিয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এমএ