উত্তরের পথে ‘স্বস্তির’ ঈদযাত্রা

ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৭ আশ্বিন ১৪২৫

উত্তরের পথে ‘স্বস্তির’ ঈদযাত্রা

আব্দুল্লাহ আল নোমান, টাঙ্গাইল ১২:৪৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০১৮

উত্তরের পথে ‘স্বস্তির’ ঈদযাত্রা

পরিবারের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আযহার আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। এবারের ঈদযাত্রায় যারা ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতুর মহাসড়ক ব্যবহার করছেন, তাদের জন্য সুখবরই বটে।

শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে কোনো যানজটের সৃষ্টি হয়নি। স্বাভাবিক গতিতে যান চলাচল করছে। ফলে ভোগান্তি ছাড়াই ঈদে বাড়ি ফিরতে পারছেন মানুষ।

জানা গেছে, এই মহাসড়কে যাতে যানজট না হয়, সেজন্য ১ হাজার আইনশৃঙ্খলার বাহিনীর সদস্য সক্রিয় রয়েছেন।

এবার মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশকে চারটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। সঙ্গে চারটি কন্ট্রল রুম, দুটি ওয়াচ টাওয়ার, ৩৪টি হুন্ডা মোবাইল ও ৪৩টি পিকেট মোতায়েন করা হয়েছে।

এছাড়া প্রতি দুই কিলোমিটার সড়কে দুটি করে মোটরসাইকেল দল রয়েছে। কোথাও যানজট শুরু হলে তারা দ্রুত সেখানে গিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে।

সরেজমিনে শুক্রবার মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে স্বাভাবিক গতিতে যান চলাচল করতে দেখা গেছে। অনেক সময় সড়ক ফাঁকাও হয়ে যাচ্ছে। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে বাড়ছে যানবাহন।

দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ভাষ্যে, বৃহস্পতিবারের চেয়ে শুক্রবার মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা বেড়েছে। এর ফলে গতি কিছুটা কমে এলেও কোথায় যানজট লাগেনি।

অথচ বিগত কয়েক বছর মহাসড়কে চার লেন প্রকল্পের কাজ চলায় উত্তরবঙ্গসহ ২৩টি জেলার মানুষের ভোগান্তির শেষ ছিল না। টাঙ্গাইলের কালিহাতী থেকে গাজীপুরের ভোগড়া পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার রাস্তা খানাখন্দে ভরা ছিল। ফলে প্রতিদিনই যানজট লেগে থাকতো। আর দুর্ঘটনা ছিল নিত্যনৈমিত্তিক।

বর্তমানে মহাসড়কের ২৩টি সেতুর কাজ শেষ হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কন্সফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনের পর এগুলো খুলে দেয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি। আশা করছি, এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তির হবে।’

তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো যানজট নেই। দিন গড়ানোর সঙ্গে যানবাহন বাড়বে। সঙ্গে মহাসড়কে চার লেনের কাজ চলমান থাকায় কিছুটা বিঘ্ন হতে পারে।’

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট আজিজুর রহিম তালুকদার পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে আপাতত যানবাহনের চাপ নেই। আশা করছি, আমাদের তৎপরতায় শেষ পর্যন্ত একই অবস্থা থাকবে। মানুষ স্বস্তিতে প্রিয়জনদের কাছে ফিরতে পারবেন।’

এএএন/আইএম