টাঙ্গাইলে ড্রেজার দিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে বসতভিটা ও ফসলি জমি

ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৪ আশ্বিন ১৪২৫

টাঙ্গাইলে ড্রেজার দিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে বসতভিটা ও ফসলি জমি

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ২:৫৩ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৩, ২০১৮

টাঙ্গাইলে ড্রেজার দিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে বসতভিটা ও ফসলি জমি

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের হাটকয়েড়ায় ঝিনাই নদীতে ৫টি অবৈধ বাংলাড্রেজার দিয়ে প্রায় ৬ মাস ধরে চলছে বালু উত্তোলন। উপজেলা ভূমি অফিসের মৌখিক অনুমতিতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাজাহান তালুকদার ও ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান এ বালু উত্তোলন করছেন বলে অভিযোগ করছেন ক্ষতিগ্রস্থরা।

অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বসতভিটা, ফসলি জমি ও একটি গাইড বাঁধ নদীগর্ভে চলে গেছে। উপজেলা প্রশাসনের নিকট আবেদন করেও এর প্রতিকার পাচ্ছেন না এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার আনেহলা ইউনিয়নের হাটকয়েড়া এলাকার ঝিনাই নদী থেকে ভূমি অফিসের মৌখিক অনুমতি নিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাজাহান তালুকদার ও ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান  ৫টি অবৈধ বাংলা ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছেন।

সপ্তাহখানেক ধরে ৩টি ড্রেজার বন্ধ থাকলেও রাতদিন চলছে ২টি বাংলা ড্রেজার। বাকি ৩টি অন্যস্থানে স্থাপন করার কাজ চলছে। যেখানে বাংলা ড্রেজার বসানো হয়েছে তার ঠিক ৫০ মিটার দূরেই নতুন একটি ব্রিজের কাজ চলছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে ওই ব্রিজটি। এছাড়াও অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বসতভিটা, ফসলি জমি ও একটি গাইড বাঁধ নদী গর্ভে চলে গেছে। হুমকির মুখে পড়েছে শত শত একর ফসলি জমি ও বসতভিটা।

স্থানীয় মহির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি উপজেলা প্রশাসন বরাবর অভিযোগ দিলেও এর কোন প্রতিকার হয়নি। অভিাযোগের প্রেক্ষিতে সহকারি কমিশনার (ভূমি) আম্বিয়া খাতুন পরিদর্শনে এসে অবৈধ বাংলা ড্রেজার উচ্ছেদ না করে উল্টো বালু উত্তোলনের জন্য বাংলা ড্রেজারের স্থান নির্র্ধারণ করে দিয়ে গেছেন। 

ক্ষতিগ্রস্থদের অভিযোগ সহকারি কমিশনার (ভূমি) আম্বিয়া খাতুন মোটা অঙ্কের টাকার মাসোহারার বিনিময়ে বালু উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে। এদিকে স্থানীয় বায়েজিদ ও সোমেলা বেগম সংবাদ কর্মীদের কাছে তথ্য তুলে ধরায় তাদের মাদক মামলা দিয়ে ফাঁসানো ও গ্রাম ছাড়া করার  ক্রমাগত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বালু উত্তোলনের সাথে সংশ্লিষ্ট ওই প্রভাবশালী মহল।

এএএন/আরজি