টেনেটুনে ১০০ পেরোল রাজশাহী

ঢাকা, সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯ | ৩ আষাঢ় ১৪২৬

টেনেটুনে ১০০ পেরোল রাজশাহী

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:০৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০১৯

টেনেটুনে ১০০ পেরোল রাজশাহী

দুই দলই নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে একটি করে জয় এবং একটি করে হার। রাজশাহী কিংস ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের আজকের লড়াইটি তাই একে অন্যকে টপকে যাওয়ার। প্রথম ইনিংস শেষে সেই লড়াইয়ে অন্তত এগিয়ে কুমিল্লা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মেহেদী হাসান মিরাজের রাজশাহী যে করতে পেরেছে মাত্র ১২৪ রান। ইনিংসের ৭ বল বাকি থাকতেই অলআউট।

টস জিতে টুর্নামেন্টের রীতি মেনেই প্রতিপক্ষকে ব্যাটিংয়ে পাঠান স্টিভেন স্মিথের অনুপস্থিতিতে এই ম্যাচে কুমিল্লার অধিনায়কত্ব করা ইমরুল কায়েস। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে যায় রাজশাহী। ক্রমে ক্রমে সেই বিপদ বড় হয়ে এক পর্ায়ে ৬৩ রানেই হারিয়ে ফেলে ৭ উইকেট।

রাজশাহী ১০০ পেরোতে পারবে কিনা, তা নিয়েই দেখা দেয় সংশয়। শেষ পর্ন্ত সেই সংশয় দূর করতে পেরেছে রাজশাহী। কিন্তু টেনেটুনে শেষ পর্ন্ত যে পুঁজি পেয়েছে, তা নিয়ে জয়ের আশা করতে পারছে কি? অনিশ্চয়তার ক্রিকেটে নিশ্চিত করে বলা যায় না কিছুই। তবে রাজশাহীর ইনিংস শেষে কুমিল্লার জয়ের পাল্লা যে ভারি, সেটা নিঃসংকোচেই বলা যায়।

রাজশাহীকে চেপে ধরার কাজটা শুরু করেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। ইনিংসের তৃতীয় ওভারের প্রথম দুই বলেই তিনি ফিরিয়ে দেন মমিনুল হক ও সৌম্য সরকারকে। মানে পরপর ২ বলে ২ উইকেট নিয়ে তিনি জাগিয়ে তোলেন হ্যাটট্রিক সম্ভাবনা। শেষ পর্ন্ত তিনি হ্যাটট্রিক করতে পারেননি। নাম লেখাতে পারেননি দিনের প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা আলিস ইসলামের পাশে। তবে এক ধাক্কায় রাজশাহীকে ব্যাক-ফুটে ঠেলে দেন ঠিকই। মুমিনুল করেন ৭ বলে ৩ রান। সৌম্য মেরেছেন গোল্ডেন ডাক।

এরপর অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ হাফিজ মিলে চেষ্টায় নামেন ইনিংস মেরামত করার। কিন্তু তারা সফল হননি। মিরাজকে দিয়ে তাদের ৩৩ রানের জুটি ভাঙেন ইংলিশ পেসার লিয়াম ডসন। এরপর মঞ্চে আর্বিভূত হন পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি। তিনিও পরপর দুই মিরাজ ও লরি এভান্সকে ফিরিয়ে দিয়ে জাগিয়ে তোলেন হ্যাটট্রিক সম্ভাবনা। কিন্তু সাইফুদ্দিনের মতো তিনিও শেষ পর্ন্ত হ্যাটট্রিক থেকে বঞ্চিত। মিরাজ ৩০ ও এভান্স মেরেছেন গোল্ডেন ডাক।

রাজশাহীর ইনিংসে গোল্ডেন ডাক মেরেছেন আরও একজন, আফগানিস্তানের তরুণ কায়েস আহমেদ। এক ইনিংসে তিনজনে গোল্ডেন ডাক মারলে দল বড় পুঁজি পাবে কি করে! তারপরও শেষ পর্ন্ত সোয়াশর কাছে যেতে পেরেছে শ্রীলঙ্কার ইসুরু উদানার কল্যাণে। তিনি ৩০ বলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন। এছাড়া জাকির হোসেন করেছেন ২৭ রান।

কুমিল্লার বোলারদের মধ্যে শহীদ আফ্রিদিই সবচেয়ে সফল। তিনি ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। এছাড়া সাইফুদ্দিন, ডসন ও আবু হায়দার রনি ২টি করে উইকেট পেয়েছেন। একটি উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ শহীদ।

কেআর