ইমরান প্রধানমন্ত্রী হতেই পিসিবি চেয়ারম্যান বদল

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫

ইমরান প্রধানমন্ত্রী হতেই পিসিবি চেয়ারম্যান বদল

পরিবর্তন ডেস্ক ১২:৫৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২১, ২০১৮

ইমরান প্রধানমন্ত্রী হতেই পিসিবি চেয়ারম্যান বদল

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শনিবার শপথ নিয়েছেন ইমরান খান। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ঘোষণা দেন পাকিস্তান ক্রিকেটকে অন্য উচ্চতায় তুলবেন। উন্নতি কতটা করতে পারবেন বলবে সময়। তবে পাকিস্তান ক্রিকেটে পরিবর্তনের ধারাটা এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। পরিবর্তন এসেছে পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান পদে। ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরপরই পিসিবির চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন নাজাম শেঠি। সঙ্গে সঙ্গেই ইমরান খান পিসিবির নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন আইসিসির সাবেক সভাপতি এহসান মানিকে।

নির্বাচনে ইমরান খানের দল তেহরিক-ই ইনসাফ জয়লাভের পরই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে, নাজাম শেঠি আর পিসিবির চেয়ারম্যান পদে থাকছেন না। তার উত্তরসূরি হিসেবে শোনা যাচ্ছিল পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক, ইমরান খানের সাবেক সতীর্থ ওয়াসিম আকরামের কথা। কিন্তু আকরাম নন, ইমরান খান দায়িত্ব দিলেন এহসান মানিকে।

গুঞ্জন আছে, ইমরানের খানের সঙ্গে নাজাম শেঠির সম্পর্কটা ভালো নয়। সে কারণেই পিসিবি প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শেঠি। পদত্যাগপত্রে তিনি স্পষ্ট করেই লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যেহেতু পাকিস্তানের ক্রিকেট নিয়ে আপনার আপনার একটা স্বপ্ন এবং পরিকল্পনা আছে। আমি বিশ্বাস করি তা বাস্তবায়নে আপনার নিয়োজিত একটা ব্যবস্থাপনা কমিটিই সবচেয়ে ভালো কাজ করতে পারবে। এ কারণেই আমি পদত্যাগপত্র জমা দিচ্ছি।’

তার এই কথাতেই স্পষ্ট, ইচ্ছার বিরুদ্ধেই এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত। তবে নিজে সরে গেলেও পিসিবিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘আমি পিসিবির সর্বোচ্চ সাফল্য কামনা করছি। আশা করি পিসিবি ক্রমেই শক্তিশালী থেকে শক্তিশালী হবে। ঈদ মোবারক। পাকিস্তান জিন্দাবাদ।’

যাই হোক, পিসিবির সঙ্গে ৭৩ বছর বয়সী এহসান মানির সম্পর্কটা পুরোনোই। ১৯৮৮ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত পিসিবির প্রতিনিধি হিসেবে আইসিসিতে কাজ করেছেন। এরপর তিন বছর আইসিসির ট্রেজারার ছিলেন। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিন বছর পালন করেছেন আইসিসির সভাপতির দায়িত্বও।

অভিজ্ঞ এই সংগঠকের হাতে পাকিস্তান ক্রিকেট নতুন পথ খুঁজে পাবেন বলেই প্রত্যাশা পাকিস্তানীদের। বিশেষ করে পেছনে যেহেতু প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আছেন, আশাটা সে কারণেই বেশি।

কেআর