আগের স্মৃতি ফিরিয়ে কোয়েটাকে ১ রানে হারাল পেশোয়ার

ঢাকা, সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৫

আগের স্মৃতি ফিরিয়ে কোয়েটাকে ১ রানে হারাল পেশোয়ার

পরিবর্তন ডেস্ক ১:১৮ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২১, ২০১৮

print
আগের স্মৃতি ফিরিয়ে কোয়েটাকে ১ রানে হারাল পেশোয়ার

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) গত মৌসুমের দুই ফাইনালিস্ট দল পেশোয়ার জালমি ও কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স। সেবার কোয়েটাকে হারিয়ে শিরোপা পেশোয়ারের ঘরেই উঠেছিল। তবে গতবারের প্লে-অফ এবং ২০১৬ সালের প্রথম কোয়ালিফায়ারে পেশোয়ারকে দুইবার ১ রানের ব্যবধানে হারিয়েছিল কোয়েটা। চলতি আসরের প্রথম এলিমিনেটরে কোয়েটাকে ১ রান হারিয়ে যেন সেই লজ্জা ফিরিয়ে দিল পেশোয়ার। এতে করে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ে গেল কোয়েটা। বুধবার দ্বিতীয় এলিমিনেটরে পেশোয়ার মুখোমুখি হবে করাচি কিংসের।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান করে পেশোয়ার। জবাবে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে কোয়েটার সংগ্রহ ১৫৬ রান।

১৫৮ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যে ছুটতে গিয়ে ১৭ রানের মাঝে দুই ওপেনারকে হারায় কোয়েটা। এরপর মোহাম্মদ নওয়াজ ও অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ ৬৩ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের রাস্তাতেই রাখেন। তবে দলীয় ৮০ রানে একই ওভারে পরপর দুই বলে নওয়াজ ও সরফরাজ উইকেট হারালে বিপদে পরে দলটি। বাংলাদেশের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও দক্ষিণ আফ্রিকার রাইলি রুশো জুটি বাধেন এসময়। তবে দলীয় ১১৭ রানের মধ্যে একই ওভারে দুজনেই উইকেট হারান। মাহমুদউল্লাহ করেন ১৯ রান। এরপর আরো দুই উইকেট হারায় কোয়েটা।

শেষ ওভারের খেলা শুরু হওয়ার আগে কোয়েটার স্কোর দাঁড়ায় ৮ উইকেটের বিনিময়ে ১৩৩ রানে। জয়ের জন্য তখন প্রয়োজন ২৫ রান। প্রায় অসম্ভব এই রানটাকে হাতের মুঠোয় এনে দেন বোলার থেকে ব্যটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া পাকিস্তানি পেসার আনোয়ার আলি। প্রথম পাঁচ বলে একটি চার ও তিনটি ছয়। শেষ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ৩ রান। লং অনে আনোয়ারের ক্যাচ মিস করেন উমাইদ আসিফ। তবে বল থ্রো করে পাঠিয়ে দেন বোলারের কাছে। মির হামজা আলিকে রান আউট করে শেষ বলে এক রানের বেশি নিতে দেননি বোলার লিয়াম ডসন। ফলে নাটকীয় এই ম্যাচে এক রানের পরাজয় মেনে নিতে হয় কোয়েটাকে। আনোয়ার ১৪ বলে ৩ ছয় ও ১ চারে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন।

এদিন ডসন বাদে পেশোয়ারের সব বোলারই দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন।

এর আগে ডসনের ৬২ রানের ইনিংসের ওপর ভর দিয়েই ১৫৭ রান করে পেশোয়ার। তামিম দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন। পাকিস্তানি পেসার রাহাত আলি ১৬ রান খরচায় ৪ উইকেট পান। মাহমুদউল্লাহ ২০ রানে পান ১ উইকেট।

 

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

পেশোয়ার জালমি : ১৫৭ (২০ ওভার) (তামিম ২৭, হাফিজ ২৫, ডসন ৬২; রাহাত ৪/১৬, মাহমুদউল্লাহ ১/২০, থিসারা ২/২৪)।

কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স : ১৫৬/৯ (২০ ওভার) (নওয়াজ ৩৫, সরফরাজ ৩৫, আনোয়ার ২৮*; হাসান ২/২১, সামিন ২/২১, রিয়াজ ২/২৬)।

ফলাফল : পেশোয়ার জালমি ১ রানে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ : হাসান আলি।

এসএম

 
.



আলোচিত সংবাদ