অখ্যাত পাকিস্তানি 'বুড়ো' জিতিয়ে দিলো কলাবাগানকে

ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৪ আশ্বিন ১৪২৫

অখ্যাত পাকিস্তানি 'বুড়ো' জিতিয়ে দিলো কলাবাগানকে

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৬:০৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৮

অখ্যাত পাকিস্তানি 'বুড়ো' জিতিয়ে দিলো কলাবাগানকে

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কখনোই খেলা হয়নি। ঘরোয়া ক্রিকেটেও খুব বড় কিছু করেননি। বয়সটাও ৩৫ এর কাছাকাছি। তবে পরিচয়টা অল রাউন্ডার। ব্যাট বল দুই দিকেই সুবিধা পাবেন বলে আকবর-উর-রেহমানকে উড়িয়ে আনল কলাবাগান ক্রীড়া চক্র। আর ঢাকার মাঠে এসে প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত করলেন এ পাকিস্তানি বুড়ো। তার অল রাউন্ডিং নৈপুণ্যেই চতুর্থ ম্যাচে এসে প্রথম জয় পেয়েছে দলটি। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে ৫৫ রানে হারিয়েছে জালাল আহমেদ চৌধুরীর শিষ্যরা।

ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে টস জিতে কলাবাগানকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় গাজী গ্রুপ। শুরুটাও ভালো করে তারা। দলীয় ২৩ রানে কলাবাগানের প্রথম সারির ৩ ব্যাটসম্যানকে তুলে নেয় দলটি। তবে চতুর্থ উইকেটে আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান তাইবুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ১০১ রানের দারুণ এক জুটি গড়ে দলকে চাপমুক্ত করেন আকবর। মূলত এ জুটিতে ভর করেই লড়াইয়ের জন্য নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৩২ রানের পুঁজি পায় কলাবাগান।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮০ রান করেন আকবর। ১১১ বল মোকাবেলা করে ৭টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে এ রান করেন তিনি। ৮২ বলে ৪টি চারের সাহায্যে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন তাইবুর। এছাড়া ৩৩ বলে ৩৪ রান করেন মাহমুদুল হাসান। শেষ দিকে ৯ বলে ২ ছক্কা ১ চারে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন আবুল হাসান রাজু। গাজী গ্রুপের পক্ষে ২টি করে উইকেট পান কামরুল ইসলাম রাব্বি, ডলার মাহমুদ ও রজত ভাটিয়া।

২৩৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা খারাপ করেনি গাজী গ্রুপ। ইমরুল কায়েসের সঙ্গে ৪০ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম। তবে এ জুটি ভাঙার পর দ্রুতই দলের অন্যতম ভরসা মুমিনুল হককে হারায় দলটি। ফলে কিছুটা চাপে পড়ে যায় তারা। এরপর তৃতীয় উইকেটে আসিফ আহমেদকে নিয়ে ৫২ রানের জুটি গড়ে চাপ সামলে নেওয়ার চেষ্টা করেন ইমরুল।  এরপরই আকবরের বোলিং তোপে পড়ে দলটি।

বিপজ্জনক হয়ে ওঠা এ জুটিতো ভেঙেছেনই, এরপর আরও ৩টি উইকেট তুলে নেন তিনি। আর উইকেট হারানোর মিছিলে যোগ দেয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৬৯ রান যোগ করতেই শেষ ৮ উইকেট হারায় গাজী গ্রুপ। ফলে ৪৫.১ ওভারে ১৭৭ রানে অল আউট হয় মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের শিষ্যরা।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন ইমরুল। ৭৮ বল মোকাবেলা করে ৫টি করে চার ও ছক্কায় এ রান করেন তিনি। সাত নম্বরে ব্যাটিং করতে নেমে নুরুজ্জামান করেন ২৯ রান। কলাবাগানের পক্ষে ৩৫ রানের খরচায় ৪টি উইকেট পান আকবর। এছাড়া ২টি করে উইকেট নেন সঞ্জিত সাহা ও মাহমুদুল।

আরটি/পিএ