বিজনেস ক্লাস সুবিধা পেল স্কয়ার-বেক্সিমকো-ইনসেপ্টা

ঢাকা, ১০ জুন, ২০১৯ | 2 0 1

বিজনেস ক্লাস সুবিধা পেল স্কয়ার-বেক্সিমকো-ইনসেপ্টা

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১১:০১ অপরাহ্ণ, মে ০৫, ২০১৯

বিজনেস ক্লাস সুবিধা পেল স্কয়ার-বেক্সিমকো-ইনসেপ্টা

বাংলাদেশ কাস্টমস আধুনিকায়নে আরেক ধাপ অতিক্রম করলো। অথরাইজড ইকোনমিক অপারেটর (এইও) সুবিধা দেয়া হয়েছে তিনটি ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিষ্ঠানকে। এরা হলো স্কয়ার, বেক্সিমকো ও ইনসেপ্টা।

রোববার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে এ তিনটি প্রতিষ্ঠানের হাতে এইও সুবিধার সদন তুলে দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূইয়া।

জানা গেছে, এইও সুবিধা হলো ফাস্ট ট্রাক। বিমানের প্রথম শ্রেণি যাত্রীর সুবিধার মতো। বন্দরে পণ্য খালাসে গ্রিন চ্যানেল সুবিধার মতো। অর্থাৎ আমদানি করা পণ্য বন্দরে পড়ে থাকবে না। খুব অল্প সময়ে খালাস হবে।

আমদানিকারকের নিজস্ব গুদামেই পণ্য পরীক্ষা–নিরীক্ষা করা হবে। জাহাজ থেকে পণ্যের চালান ট্রাকে করে সরাসরি আমদানিকারকের গুদামে যাবে। পণ্য খালাস করতে কাগজপত্র নিয়ে শুল্ক কর্তৃপক্ষের দপ্তরের টেবিলে টেবিলে দৌড়াতে হবে না আমদানিকারককে। বিশ ধরনের নয়, তখন ৫ ধরনের কাগজপত্র দিলেই চলবে। দুই পক্ষের সব যোগাযোগ হবে ই-মেইলে। তাতে স্বল্পতম সময়ে পণ্য খালাস হবে।

এনবিাআর চেয়ারম্যান বলেন, এইও ব্যবস্থা চালু হলে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হবে। বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত হবে। এ ছাড়া ডুয়িং বিজনেস প্রতিবেদনেও বাংলাদেশের র‌্যাঙ্কিংয়ের উন্নতি হবে।

তিনি বলেন, ঔষধ খাতের তিনটি কোম্পানি বাছাইয়ের কারণ, রপ্তানিমুখী ওষুধ খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাধারণত নানা ধরনের নিয়মকানুন মানতে হয়। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় রাজস্ব খাতের নিয়মনীতি পরিপালনে এ খাতের কোম্পানিগুলো এগিয়ে রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের দলিলপত্র অটোমেশন ব্যবস্থায় থাকে। এসব কারণে আপাতত তিনটি ওষুধ কোম্পানিকে বেছে নেয়া হয়েছে।

জানা গগেছে, এইও পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু নিজ দেশেই নয়, যে দেশে রপ্তানি পণ্য যাবে, সে দেশেও একই ধরনের সুবিধা পাবে। অবশ্য এ জন্য ওই সব দেশের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি থাকতে হবে।

এইও নিয়ে এখন পর্যন্ত বিশ্বে ১০০টির বেশি মিউচুয়াল রিকগনিশন অ্যাগ্রিমেন্ট (এমআরএ) আছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ, জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চীনসহ বিভিন্ন দেশের মধ্যে এসব সমঝোতা চুক্তি হয়েছে।

২০১৩ সালের ডিসেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মন্ত্রিপর্যায়ের বৈঠকে বাণিজ্য সহায়তা চুক্তি (ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন অ্যাগ্রিমেন্ট) হয়। এতে বাংলাদেশ সই করে। এই চুক্তির ৭ দশমিক ৭ অনুচ্ছেদে এইও ব্যবস্থা চালুর কথা বলা হয়।

২০১২ সালে ভারত এই ব্যবস্থা চালু করেছে। ভারতের শতাধিক প্রতিষ্ঠান এই সনদ নিয়েছে। শিল্প উৎপাদক, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ওয়্যারহাউস ফ্রেইট ফরোওয়ার্ডার্স, সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর—এই এইও সনদ নিতে পারেন। দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচন বিমানবন্দরও এ সনদ নিয়েছে।

এফএ/এআরই

 

করপোরেট সংবাদ: আরও পড়ুন

আরও